চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ‘এক লিটার তেলও’ রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
এর জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয়, তবে দেশটিকে আগের চেয়ে কয়েকগুণ শক্তিশালী হামলার মুখে পড়তে হবে।
চলমান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল ইতোমধ্যে চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, খুব শিগগিরই ইরান যুদ্ধ শেষ হতে যাচ্ছে। এর প্রতিক্রিয়ায় আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, “যুদ্ধ কবে শেষ হবে তা আমরাই নির্ধারণ করব।”
এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ এক পোস্টে লিখেছেন, “ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে তেলের প্রবাহ বন্ধ করার কোনো পদক্ষেপ নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের ওপর ২০ গুণ বেশি কঠোর হামলা চালানো হবে। এছাড়া আমরা এমন কিছু সহজে ধ্বংসযোগ্য লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানব, যা একটি রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব করে তুলবে। তাদের ওপর মৃত্যু, আগুন ও ধ্বংসযজ্ঞ নেমে আসবে। তবে আমি আশা ও প্রার্থনা করি যেন এমনটা না ঘটে!”

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ‘এক লিটার তেলও’ রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
এর জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয়, তবে দেশটিকে আগের চেয়ে কয়েকগুণ শক্তিশালী হামলার মুখে পড়তে হবে।
চলমান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল ইতোমধ্যে চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, খুব শিগগিরই ইরান যুদ্ধ শেষ হতে যাচ্ছে। এর প্রতিক্রিয়ায় আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, “যুদ্ধ কবে শেষ হবে তা আমরাই নির্ধারণ করব।”
এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ এক পোস্টে লিখেছেন, “ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে তেলের প্রবাহ বন্ধ করার কোনো পদক্ষেপ নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের ওপর ২০ গুণ বেশি কঠোর হামলা চালানো হবে। এছাড়া আমরা এমন কিছু সহজে ধ্বংসযোগ্য লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানব, যা একটি রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব করে তুলবে। তাদের ওপর মৃত্যু, আগুন ও ধ্বংসযজ্ঞ নেমে আসবে। তবে আমি আশা ও প্রার্থনা করি যেন এমনটা না ঘটে!”