Advertisement Banner

আবারও হরমুজ বন্ধ করে দিতে পারে ইরান

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
আবারও হরমুজ বন্ধ করে দিতে পারে ইরান
হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স

মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আমেরিকার সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান বন্ধ করে দিয়েছে ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। লেবাননে হামলার জেরে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে করে হরমুজ প্রণালি আবারও পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলো। এ ছাড়া এবার বাব এল মান্দেবও বন্ধ হতে পারে।

ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিমের এক প্রতিবেদনের বরাতে সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তাসনিম নিউজ বলছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার এজেন্ডা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তেহরান।

এবার ইয়েমেনে ইরানের মিত্র হিসেবে পরিচিত হুতিরা সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়লে বাব এল মান্দেবকেই টার্গেট করা হবে। এই প্রণালি বন্ধ করে দিতে পারে তারা। এমনটি হলে সুয়েজ খালেও জাহাজ চলাচলে সংকট দেখা দিতে পারে।

সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলছেন, “কোনো ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি ভেঙ্গে ফেলার মানে হলো সব ফ্রন্টেই বিরতি না মানা। এমন করার জন্য ইসরায়েল ও আমেরিকাই দায়ী।”

ইরানের একটি শহর ও একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপে ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালানোর দাবি করেছে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী। অন্যদিকে, একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে তেহরান।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিট ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকমইউ) জানিয়েছে, তারা ইরানের গোরুক শহর এবং কোশেম দ্বীপে ইরানের রাডার ও ড্রোন ঘাঁটিতে আত্মরক্ষামূলক হামলা চালিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে সেন্টকম বলেছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান। এই ‘আগ্রাসী পদক্ষেপের’ জবাবেই যুক্তরাষ্ট্র এই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। তারা আরও জানায়, মার্কিন বাহিনী ‘ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, একটি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন এবং দুটি ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন ধ্বংস করেছে, যা ওই অঞ্চলের জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য স্পষ্ট হুমকি তৈরি করেছিল।

সম্পর্কিত