চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র-চীন শীর্ষ সম্মেলনের পর হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ‘হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে হবে’— এই বিষয়ে একমত হয়েছেন। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদুলু এজেন্সি জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজ এ তথ্য জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উভয়পক্ষ একমত হয়েছে যে জ্বালানির অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। প্রেসিডেন্ট সি হরমুজ প্রণালির সামরিকীকরণ এবং এর ব্যবহারের জন্য টোল আদায়ের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে চীনের অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছেন। এছাড়া ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালির ওপর চীনের নির্ভরতা কমাতে আরও আমেরিকান তেল কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে চীনে মার্কিন ব্যবসার জন্য বাজারের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং আমাদের শিল্পগুলোতে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা। যুক্তরাষ্ট্রের বড় কোম্পানিগুলোর পরিচালকেরা বৈঠকের একটি অংশে যোগ দিয়েছিলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না’— এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত হয়েছে।
অন্যদিকে চীনের একটি সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, সি ট্রাম্পকে বলেছেন তাইওয়ান ইস্যুটি যদি ‘সঠিকভাবে’ মোকাবিলা করা না হয়, তবে ‘দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ এবং এমনকি সংঘাতও হতে পারে।’
সি আরও বলেন, “চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাইওয়ান প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি যদি সঠিকভাবে মোকাবিলা করা হয়, তবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে।”

যুক্তরাষ্ট্র-চীন শীর্ষ সম্মেলনের পর হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ‘হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে হবে’— এই বিষয়ে একমত হয়েছেন। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদুলু এজেন্সি জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজ এ তথ্য জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উভয়পক্ষ একমত হয়েছে যে জ্বালানির অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। প্রেসিডেন্ট সি হরমুজ প্রণালির সামরিকীকরণ এবং এর ব্যবহারের জন্য টোল আদায়ের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে চীনের অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছেন। এছাড়া ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালির ওপর চীনের নির্ভরতা কমাতে আরও আমেরিকান তেল কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে চীনে মার্কিন ব্যবসার জন্য বাজারের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং আমাদের শিল্পগুলোতে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা। যুক্তরাষ্ট্রের বড় কোম্পানিগুলোর পরিচালকেরা বৈঠকের একটি অংশে যোগ দিয়েছিলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না’— এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত হয়েছে।
অন্যদিকে চীনের একটি সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, সি ট্রাম্পকে বলেছেন তাইওয়ান ইস্যুটি যদি ‘সঠিকভাবে’ মোকাবিলা করা না হয়, তবে ‘দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ এবং এমনকি সংঘাতও হতে পারে।’
সি আরও বলেন, “চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাইওয়ান প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি যদি সঠিকভাবে মোকাবিলা করা হয়, তবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে।”