চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম।
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুসাব্বির হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র সরবরাহে তার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।
এস এন নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিয়ে বলেন, “মুসাব্বির হত্যাকাণ্ডে জাহিদুল ইসলামের প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।”
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মহাখালী ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পুরাতন ক্যাম্পাস এলাকা থেকে জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে বনানী থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন, একটি পিস্তলসদৃশ বস্তু, ২ হাজার ১৫০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির নগদ ৭১ হাজার ২০ টাকা এবং তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানান, গত ৭ মে রাত ১০টার দিকে মহাখালী কাঁচাবাজারের পেছনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুইজন আহত হন। ওই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে মাঠে নামে থানা পুলিশ। তদন্তের ধারাবাহিকতায় জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নজরুল ইসলাম আরও বলেন, “জাহিদুল ইসলাম তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। র্যাব, ডিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।”
গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানান অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম।

রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম।
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুসাব্বির হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র সরবরাহে তার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।
এস এন নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিয়ে বলেন, “মুসাব্বির হত্যাকাণ্ডে জাহিদুল ইসলামের প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।”
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মহাখালী ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পুরাতন ক্যাম্পাস এলাকা থেকে জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে বনানী থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন, একটি পিস্তলসদৃশ বস্তু, ২ হাজার ১৫০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির নগদ ৭১ হাজার ২০ টাকা এবং তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানান, গত ৭ মে রাত ১০টার দিকে মহাখালী কাঁচাবাজারের পেছনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুইজন আহত হন। ওই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে মাঠে নামে থানা পুলিশ। তদন্তের ধারাবাহিকতায় জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নজরুল ইসলাম আরও বলেন, “জাহিদুল ইসলাম তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। র্যাব, ডিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।”
গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানান অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম।

নজরুল ইসলাম বলেন, “জাহিদুল ইসলাম তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। র্যাব, ডিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।”