তরুণ চক্রবর্তী

কিছুদিন আগেও বলা হতো ভোট উৎসব। অর্থাৎ উৎসবের আমেজে ভোট। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় বিধানসভার ভোট। দূরবিন দিয়েও উৎসবের কোনো ঝিলিক দেখার জো নেই! চারিদিকে আধা-সেনার ভারী বুটের শব্দ। সেই শব্দকে ছাপিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বুলেট নিরোধক সাঁজোয়া গাড়ি।
সেই সাঁজোয়া গাড়ির চাকাতেই যেন চাপা পড়েছে উৎসবের আমেজ।
বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় ভোট হবে শৈলশহর দার্জিলিং থেকে শুরু করে বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী দুই মেদিনীপুরসহ রাজ্যের ১৬ জেলার ১৫২ আসনে। তার জন্য অতিরিক্ত বাহিনী হিসাবে মোতায়েন করা হয়েছে ২ হাজার ৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
সশস্ত্র জওয়ানদের সংখ্যা আড়াই লাখ ছাপিয়ে যাবে। দ্বিতীয় দফায় কলকাতা ও তার আশপাশের আরও ৬টি জেলার ১৪২ আসনে ভোট ২৯ এপ্রিল। তার জন্য মোতায়েন করা হচ্ছে ২ হাজার ৩২১ কোম্পানি আধা সেনা। ইতিমধ্যেই গোটা রাজ্যকে নিরাপত্তার বলয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। সিল করা হয়েছে অন্তর্দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত। পুলিশ কর্মীদের ওপরও চলছে কড়া নজরদারি।
এই অতিরিক্ত নজরদারিতেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এমনিতেই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর নামে বাংলাদেশি খোঁজার প্রক্রিয়ায় মানুষকে গ্রাস করেছে অভূতপূর্ব আতঙ্ক। চারিদিকেই তৈরি হয়েছে ভয়ের মহল। সেই ভয়ের পরিবেশকেই আর কঠিন করে তুলেছে আধা সেনার অতি-সক্রিয়তা।
ফলে উৎসবের আমেজ তো দূরের কথা, সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও উৎসাহে ভাটা চোখে পড়ছে। মানুষ বুথমুখী হলেও স্বতঃস্ফুর্ততার অভাব কিন্তু চোখে পড়ার মতো।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ অনেকেই ভোট প্রচারে ঝড় তোলার চেষ্টা করছেন। কিন্তু প্রচণ্ড গরম আর নির্বাচন কমিশনের অতি-সক্রিয়তায় কালবৈশাখী ছাড়া বাংলার প্রচারে কোনো ঝড় তো দূরের কথা, বাতাসও চোখে পড়ছে না।
ভোট না যুদ্ধ, গণতন্ত্র নাকি জরুরি অবস্থা জারি–বোঝা দুষ্কর। ভোটের সাত দিন আগে থেকেই গোটা রাজ্যের মদের দোকান ও পানশালা বন্ধ করে দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও আতঙ্কময় করে তোলা হচ্ছে বলে অনেকে মনে করেন।
এর আগে ভোটের এতো আগে থেকে মদের দোকান বা পানশালা বন্ধ হয়নি। হয়নি আধা-সেনাদের এমন দাপাদাপি। তাই অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ভোট হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। বিজেপি সর্বশক্তি দিয়ে নামলেও বিভিন্ন জরিপ কিন্তু আভাস দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে ‘অ্যাডভান্টেজ’ মমতার।
এমনকি, প্রথম দফার আসনগুলোতে গতবার বিজেপি কিছুটা এগিয়ে থাকলেও এবার শাসক দল তৃণমূল সেখানেও থাবা বসাতে পারে।

কিছুদিন আগেও বলা হতো ভোট উৎসব। অর্থাৎ উৎসবের আমেজে ভোট। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় বিধানসভার ভোট। দূরবিন দিয়েও উৎসবের কোনো ঝিলিক দেখার জো নেই! চারিদিকে আধা-সেনার ভারী বুটের শব্দ। সেই শব্দকে ছাপিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বুলেট নিরোধক সাঁজোয়া গাড়ি।
সেই সাঁজোয়া গাড়ির চাকাতেই যেন চাপা পড়েছে উৎসবের আমেজ।
বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় ভোট হবে শৈলশহর দার্জিলিং থেকে শুরু করে বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী দুই মেদিনীপুরসহ রাজ্যের ১৬ জেলার ১৫২ আসনে। তার জন্য অতিরিক্ত বাহিনী হিসাবে মোতায়েন করা হয়েছে ২ হাজার ৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
সশস্ত্র জওয়ানদের সংখ্যা আড়াই লাখ ছাপিয়ে যাবে। দ্বিতীয় দফায় কলকাতা ও তার আশপাশের আরও ৬টি জেলার ১৪২ আসনে ভোট ২৯ এপ্রিল। তার জন্য মোতায়েন করা হচ্ছে ২ হাজার ৩২১ কোম্পানি আধা সেনা। ইতিমধ্যেই গোটা রাজ্যকে নিরাপত্তার বলয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। সিল করা হয়েছে অন্তর্দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত। পুলিশ কর্মীদের ওপরও চলছে কড়া নজরদারি।
এই অতিরিক্ত নজরদারিতেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এমনিতেই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর নামে বাংলাদেশি খোঁজার প্রক্রিয়ায় মানুষকে গ্রাস করেছে অভূতপূর্ব আতঙ্ক। চারিদিকেই তৈরি হয়েছে ভয়ের মহল। সেই ভয়ের পরিবেশকেই আর কঠিন করে তুলেছে আধা সেনার অতি-সক্রিয়তা।
ফলে উৎসবের আমেজ তো দূরের কথা, সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও উৎসাহে ভাটা চোখে পড়ছে। মানুষ বুথমুখী হলেও স্বতঃস্ফুর্ততার অভাব কিন্তু চোখে পড়ার মতো।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ অনেকেই ভোট প্রচারে ঝড় তোলার চেষ্টা করছেন। কিন্তু প্রচণ্ড গরম আর নির্বাচন কমিশনের অতি-সক্রিয়তায় কালবৈশাখী ছাড়া বাংলার প্রচারে কোনো ঝড় তো দূরের কথা, বাতাসও চোখে পড়ছে না।
ভোট না যুদ্ধ, গণতন্ত্র নাকি জরুরি অবস্থা জারি–বোঝা দুষ্কর। ভোটের সাত দিন আগে থেকেই গোটা রাজ্যের মদের দোকান ও পানশালা বন্ধ করে দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও আতঙ্কময় করে তোলা হচ্ছে বলে অনেকে মনে করেন।
এর আগে ভোটের এতো আগে থেকে মদের দোকান বা পানশালা বন্ধ হয়নি। হয়নি আধা-সেনাদের এমন দাপাদাপি। তাই অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ভোট হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। বিজেপি সর্বশক্তি দিয়ে নামলেও বিভিন্ন জরিপ কিন্তু আভাস দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে ‘অ্যাডভান্টেজ’ মমতার।
এমনকি, প্রথম দফার আসনগুলোতে গতবার বিজেপি কিছুটা এগিয়ে থাকলেও এবার শাসক দল তৃণমূল সেখানেও থাবা বসাতে পারে।