
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান পদ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মধ্য হাওড়া বিধানসভার বিধায়ক অরূপ রায়কে মমতার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বরখাস্ত করেছে তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতারা।

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা হারানোর মাত্র এক মাসের মাথায় ভেঙে পড়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। তার দলের বিদ্রোহী সাংসদরা আইনি প্যাঁচ এড়াতে নতুন একটি দলে যোগ দিয়েছেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে অভিযান চালিয়েছে সিআইডি। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচন-সংক্রান্ত চিঠিতে, বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।

নির্বাচনী ধাক্কার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত হিসাব কষে তার পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। তিনি কোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত নেননি। বাংলায় এই মুহূর্তে কোনো বিধানসভা নির্বাচন নেই। রাতারাতি সরকার পরিবর্তনের কোনো আইনি সম্ভাবনাও তৈরি হয়নি। কিন্তু রাজ্যের অভ্যন্তরে তৃণমূল কংগ্রেস যে নজিরবিহীন সাংগঠনিক

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের ৮০ বিধায়কের মধ্যে ৬০ বিধায়ক ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছেন। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বলেন, ‘‘আপাতত ৫৮ জন। আরও দু’জন আছেন। তাঁরা এখন রাজ্যের বাইরে আছেন। তাঁদের সম্মতি রয়েছে।


যে মানুষ বৈধ কাগজপত্র না থাকা সত্ত্বেও জীবিকার তাগিদে ভারতে গেছেন, ভারত সরকার না হয় তাদের দায়িত্ব অস্বীকার করল। কিন্তু যারা ভারতে জন্ম নিয়েছেন, তাদের কোন আইনে তারা ফেরত পাঠাবে?

তাই আমাদের অবশ্যই সিজেপি’র প্রতি প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য প্রচলিত রাজনৈতিক স্বার্থপরতা, রাজনৈতিক নিষ্ঠুরতা, কৌশলগত দূরত্ব বজায় রাখা কিংবা সস্তা ও সাময়িক নির্বাচনী জোটের রাজনীতির বাইরে গিয়ে একটি সম্পূর্ণ নতুন পথ খুঁজে বের করতে হবে।

১৮৮৯ সালে প্রকাশিত হয় মশাররফ হোসেনের ‘গো-জীবন’ শিরোনামের প্রবন্ধের বই। এই বইয়ে তিনি মুসলমানদের গরু জবাইয়ের তীব্র বিরোধিতা করেন।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী নামমাত্র প্রচারেই দায় সেরেছেন। পশ্চিমবঙ্গ বাদ দিলেও অন্য রাজ্যেও কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি বা প্রচারের জৌলুস বিজেপির তুলনায় নিমিত্ত মাত্র।

ভারত কখনো শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার উজানের পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করে কোনো চুক্তি করেনি। ফলে ভাটিতে থাকা বাংলাদেশকে প্রতি বছর তার কৃষিভিত্তিক অঞ্চল আরও একটু করে শুকিয়ে যেতে দেখতে হচ্ছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নবগঠিত বিজেপি সরকার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তকে অগ্রাধিকার দেয়, তখন সেটি কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রশ্ন ওঠে, এটি কি সত্যিই নিরাপত্তার প্রয়োজনে, নাকি রাজনৈতিক বার্তা?

বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত থাকায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে একটা বাড়তি আগ্রহ রয়েছে বাংলাদেশিদের মধ্যে। বিশেষ করে সেখানকার রাজ্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের দিকেই নজর থাকে সীমান্তের এপারের বাসিন্দাদের। এবার বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর সেই আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে।

২০২১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার মামলাগুলো পুনরায় শুরুর নির্দেশ এবং ১৬ মে থেকে রাজ্যজুড়ে বেআইনি অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারে বড়সড় অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো তৃণমূলের রাজনৈতিক ভিত্তিকে আইনিভাবে দুর্বল করা।

২০২১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার মামলাগুলো পুনরায় শুরুর নির্দেশ এবং ১৬ মে থেকে রাজ্যজুড়ে বেআইনি অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারে বড়সড় অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো তৃণমূলের রাজনৈতিক ভিত্তিকে আইনিভাবে দুর্বল করা।