চরচা ডেস্ক

প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেন্ডারভিত্তিক ডিজিটাল সহিংসতা (টিএফজিবিভি) একটি বড় সামাজিক উদ্বেগ হিসেবে সামনে এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে সাতক্ষীরায় স্থানীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ইউটিউবারদের নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বুধবার বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি) ও অগ্রগতি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সাতক্ষীরার ৩২ জন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ইউটিউবার অংশ নেন, যাদের সম্মিলিত ফলোয়ার সংখ্যা ১২ লাখেরও বেশি। অনুষ্ঠানে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো এবং ইতিবাচক ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরিতে তাদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম বলেন, কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা সমাজে বড় প্রভাব ফেলেন। তাই সাময়িক জনপ্রিয়তার পেছনে না ছুটে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে দায়িত্বশীল কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে।
বিএনএনআরসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম বজলুর রহমান বলেন, কেবল সচেতনতা নয়, টিএফজিবিভি মোকাবিলায় সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। অগ্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের সমাজ উন্নয়নের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অংশগ্রহণকারীরা জানান, অনলাইনে নেতিবাচক মন্তব্য ও ট্রলিং অনেক সময় সৃজনশীল কাজের আগ্রহ কমিয়ে দেয়। তাই নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে ঐক্য জরুরি।
সভায় নিরাপদ ও জেন্ডার সংবেদনশীল কন্টেন্ট তৈরির কৌশল, ফেসবুক ও ইউটিউবের কমিউনিটি গাইডলাইন এবং ডিজিটাল আচরণের নৈতিক মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেন্ডারভিত্তিক ডিজিটাল সহিংসতা (টিএফজিবিভি) একটি বড় সামাজিক উদ্বেগ হিসেবে সামনে এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে সাতক্ষীরায় স্থানীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ইউটিউবারদের নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বুধবার বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি) ও অগ্রগতি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সাতক্ষীরার ৩২ জন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ইউটিউবার অংশ নেন, যাদের সম্মিলিত ফলোয়ার সংখ্যা ১২ লাখেরও বেশি। অনুষ্ঠানে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো এবং ইতিবাচক ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরিতে তাদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম বলেন, কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা সমাজে বড় প্রভাব ফেলেন। তাই সাময়িক জনপ্রিয়তার পেছনে না ছুটে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে দায়িত্বশীল কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে।
বিএনএনআরসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম বজলুর রহমান বলেন, কেবল সচেতনতা নয়, টিএফজিবিভি মোকাবিলায় সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। অগ্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের সমাজ উন্নয়নের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অংশগ্রহণকারীরা জানান, অনলাইনে নেতিবাচক মন্তব্য ও ট্রলিং অনেক সময় সৃজনশীল কাজের আগ্রহ কমিয়ে দেয়। তাই নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে ঐক্য জরুরি।
সভায় নিরাপদ ও জেন্ডার সংবেদনশীল কন্টেন্ট তৈরির কৌশল, ফেসবুক ও ইউটিউবের কমিউনিটি গাইডলাইন এবং ডিজিটাল আচরণের নৈতিক মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

সভায় “ক্লাসিফায়েড ইনভেস্টমেন্ট” আদায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে এসএমই, কৃষি ও রিটেইল খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আমদানি-রপ্তানি ও অন্যান্য নন-ফান্ডেড ব্যবসার প্রসার এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ ও আমানত সংগ্রহ বাড়ানোর জন্য অংশগ্রহণকারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

দেশের সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এক্স নটরডেমিয়ান্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন। এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, আগামী ১৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকায় প্রায় ১০ হাজার মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং জরুরি চিকি