চরচা ডেস্ক

গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বেড়েছে। এর ফলে দেশটির বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার লাফিয়ে ৪.২ শতাংশে পৌঁছেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
আমেরিকার শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিএলএস) জানিয়েছে, আগের মাসে (এপ্রিল) এই হার ছিল ৩.৮ শতাংশ। মূলত জ্বালানি তেলের আকাশচুম্বী খরচের কারণেই সাধারণ মানুষকে এই বাড়তি খরচের মুখে পড়তে হচ্ছে। এই নিয়ে টানা তৃতীয় মাসের মতো দেশটিতে কনজ্যুমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই) বা ভোক্তা মূল্য সূচক ঊর্ধ্বমুখী হলো। ইরান ও ইসরায়েলকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই দেশটির সাধারণ মানুষ তীব্র অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
এর আগে ২০২৩ সালের এপ্রিলে শেষবারের মতো এত উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেখেছিল মার্কিন নাগরিকরা। সে সময় রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের ফলে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছিল, তার ধাক্কা সামলাচ্ছিল দেশটি।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের মে মাসের তুলনায় এবার গ্যাস ও বিদ্যুৎসহ সামগ্রিক জ্বালানি বিল প্রায় ২৫ শতাংশ (এক-চতুর্থাংশ) বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে পেট্রোলের দাম।
আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের (এএএ) পৃথক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন রেগুলার পেট্রোলের গড় দাম ৪.১৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অথচ গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলার নির্দেশ দেন, তখনো এর দাম ছিল মাত্র ২.৯৮ ডলার।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওই সামরিক পদক্ষেপের জবাবে ইরান বিশ্ব বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘স্ট্রেইট অব হরমুজ’ বা হরমুজ প্রণালী কার্যকরভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই অচলাবস্থার কারণেই বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের এই ব্যাপক উত্থান।
এছাড়াও বিমান টিকিট, ব্যক্তিগত ও চিকিৎসাসেবা, বিনোদন এবং যোগাযোগ খাতের খরচও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছে বিএলএস। সাধারণত ফেডারেল রিজার্ভের (যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক) দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যমাত্রা থাকে ২ শতাংশ, যা এখন তার দ্বিগুণেরও বেশি।
মূল্যস্ফীতির এই লাগামহীন দৌড় আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রিপাবলিকান পার্টির জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পের প্রধান প্রতিশ্রুতিই ছিল মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা। কিন্তু এখন দেশের মানুষ চড়া দামের বোঝা মাথায় নিয়েই ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যুদ্ধ যদি দ্রুত শেষও হয়ে যায়, তাও হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।

গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বেড়েছে। এর ফলে দেশটির বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার লাফিয়ে ৪.২ শতাংশে পৌঁছেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
আমেরিকার শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিএলএস) জানিয়েছে, আগের মাসে (এপ্রিল) এই হার ছিল ৩.৮ শতাংশ। মূলত জ্বালানি তেলের আকাশচুম্বী খরচের কারণেই সাধারণ মানুষকে এই বাড়তি খরচের মুখে পড়তে হচ্ছে। এই নিয়ে টানা তৃতীয় মাসের মতো দেশটিতে কনজ্যুমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই) বা ভোক্তা মূল্য সূচক ঊর্ধ্বমুখী হলো। ইরান ও ইসরায়েলকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই দেশটির সাধারণ মানুষ তীব্র অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
এর আগে ২০২৩ সালের এপ্রিলে শেষবারের মতো এত উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেখেছিল মার্কিন নাগরিকরা। সে সময় রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের ফলে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছিল, তার ধাক্কা সামলাচ্ছিল দেশটি।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের মে মাসের তুলনায় এবার গ্যাস ও বিদ্যুৎসহ সামগ্রিক জ্বালানি বিল প্রায় ২৫ শতাংশ (এক-চতুর্থাংশ) বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে পেট্রোলের দাম।
আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের (এএএ) পৃথক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন রেগুলার পেট্রোলের গড় দাম ৪.১৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অথচ গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলার নির্দেশ দেন, তখনো এর দাম ছিল মাত্র ২.৯৮ ডলার।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওই সামরিক পদক্ষেপের জবাবে ইরান বিশ্ব বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘স্ট্রেইট অব হরমুজ’ বা হরমুজ প্রণালী কার্যকরভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই অচলাবস্থার কারণেই বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের এই ব্যাপক উত্থান।
এছাড়াও বিমান টিকিট, ব্যক্তিগত ও চিকিৎসাসেবা, বিনোদন এবং যোগাযোগ খাতের খরচও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছে বিএলএস। সাধারণত ফেডারেল রিজার্ভের (যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক) দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যমাত্রা থাকে ২ শতাংশ, যা এখন তার দ্বিগুণেরও বেশি।
মূল্যস্ফীতির এই লাগামহীন দৌড় আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রিপাবলিকান পার্টির জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পের প্রধান প্রতিশ্রুতিই ছিল মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা। কিন্তু এখন দেশের মানুষ চড়া দামের বোঝা মাথায় নিয়েই ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যুদ্ধ যদি দ্রুত শেষও হয়ে যায়, তাও হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।