চরচা ডেস্ক

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় আম পাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত আবদুর রাজ্জাক (৪৫) মৌগাছি ইউনিয়নের হরিহরপাড়া গ্রামের ভুগর মণ্ডলের ছেলে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, আম পাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। শনিবার আবদুর রাজ্জাকের আমবাগান থেকে নোমের আলীর ছেলে রাসেল আম পেড়ে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন।
এ বিষয়টি নিয়ে আবদুর রাজ্জাক রাসেলের কাছে জানতে চাইলে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে মকবুল হোসেন (৫২), তার ছেলে শাহিন আলম (৩০) এবং আরও কয়েকজন ওই বিরোধে জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে আবদুর রাজ্জাককে ঘুষি-লাথি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পথে আবদুর রাজ্জাক মারা যান।
তিনি আরও জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কাজ চলছে।

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় আম পাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত আবদুর রাজ্জাক (৪৫) মৌগাছি ইউনিয়নের হরিহরপাড়া গ্রামের ভুগর মণ্ডলের ছেলে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, আম পাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। শনিবার আবদুর রাজ্জাকের আমবাগান থেকে নোমের আলীর ছেলে রাসেল আম পেড়ে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন।
এ বিষয়টি নিয়ে আবদুর রাজ্জাক রাসেলের কাছে জানতে চাইলে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে মকবুল হোসেন (৫২), তার ছেলে শাহিন আলম (৩০) এবং আরও কয়েকজন ওই বিরোধে জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে আবদুর রাজ্জাককে ঘুষি-লাথি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পথে আবদুর রাজ্জাক মারা যান।
তিনি আরও জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কাজ চলছে।