চরচা ডেস্ক

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ফরিদপুর-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পুখরিয়া বাসস্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মৌজি মাহসারদী গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে মানিকদী ইউনিয়নের পুখরিয়া, ব্রাহ্মণকান্দাসহ পাঁচটি গ্রামের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিন ধরে পুখরিয়া বাসস্ট্যান্ডে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল।
আজ রোববার এ বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা একে অপরের ওপর হামলা চালায়, যা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষ ইটপাটকেলও নিক্ষেপ করে। এতে অন্তত ৫০ জন আহত হন।
এ ঘটনার কারণে ফরিদপুর-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ফরিদপুর-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পুখরিয়া বাসস্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মৌজি মাহসারদী গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে মানিকদী ইউনিয়নের পুখরিয়া, ব্রাহ্মণকান্দাসহ পাঁচটি গ্রামের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিন ধরে পুখরিয়া বাসস্ট্যান্ডে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল।
আজ রোববার এ বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা একে অপরের ওপর হামলা চালায়, যা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষ ইটপাটকেলও নিক্ষেপ করে। এতে অন্তত ৫০ জন আহত হন।
এ ঘটনার কারণে ফরিদপুর-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফাতেমা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে নিজ কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন নিলুফার ইয়াসমিন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।

রিমান্ড শুনানি শেষে আদালত থেকে কারাগারে যাওয়ার সময় আনোয়ার বলেন, “আমার অপরাধ আমি জুলাই যোদ্ধা, আমার বাড়ি ঘর ভাংচুর করে এনি চৌধুরীর খাস লোক বিএনপি সভাপতি মিঠু। আমারে মারধর করলে যখন ঘরে দৌড়ে পালাই তখন মিঠু এক হাজার লোক নিয়ে বাড়ি ঘেরাও করে।”