চরচা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সাইবার নিরাপত্তা যাচাইয়ের পর ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রোপিক তাদের সর্বশেষ এআই মডেলগুলোর ব্যবহার সীমিত করেছে। উন্নত এআই সিস্টেমের ওপর সরকারের বাড়তে থাকা নজরদারির বিষয়টিই এতে প্রকাশ পেয়েছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
গত শুক্রবার ওপেনএআই জানিয়েছে, তাদের নতুন মডেল ‘জিপিটি-৫.৬ সল’ শুরুতে কেবল ট্রাম্প প্রশাসনের অনুমোদন পাওয়া সীমিত কিছু গ্রাহক ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এই পদক্ষেপটিকে সাময়িক উল্লেখ করে কোম্পানিটি জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে তারা আশা করছে।
এর কয়েক ঘণ্টা পর অ্যানথ্রোপিক ঘোষণা করে যে, প্রশাসন তাদের ‘মিথোস ৫’ সাইবার নিরাপত্তা মডেলটি সীমিত আকারে ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে। এর ঠিক দুই সপ্তাহ আগে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ মডেলটির ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। কোম্পানিটি জানায়, শুরুতে কেবল নির্দিষ্ট কিছু সাইবার নিরাপত্তা কর্মী এবং অবকাঠামো সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এই মডেলটি ব্যবহার করতে পারবে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দিন দিন শক্তিশালী হতে থাকা এআই প্রযুক্তির কারণে জাতীয় নিরাপত্তার যে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবেলা তারা শীর্ষস্থানীয় এআই কোম্পানিগুলোর সাথে কাজ করছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। এর ফলে জনসাধারণের জন্য ছাড়ার আগে যেকোনো উন্নত এআই সিস্টেমকে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার একটি নিয়ম চালু হয়।
তবে সরকারের এই নীতির সমালোচনা করেছেন বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। তারা সতর্ক করে বলেছেন, এআই ছাড়ার ওপর সরকারের এই নিয়ন্ত্রণ আমেরিকার উদ্ভাবন ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এদিকে এই খাতে সরকারি নজরদারি বাড়তে থাকায় ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রোপিক—উভয় কোম্পানিই এখন শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সাইবার নিরাপত্তা যাচাইয়ের পর ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রোপিক তাদের সর্বশেষ এআই মডেলগুলোর ব্যবহার সীমিত করেছে। উন্নত এআই সিস্টেমের ওপর সরকারের বাড়তে থাকা নজরদারির বিষয়টিই এতে প্রকাশ পেয়েছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
গত শুক্রবার ওপেনএআই জানিয়েছে, তাদের নতুন মডেল ‘জিপিটি-৫.৬ সল’ শুরুতে কেবল ট্রাম্প প্রশাসনের অনুমোদন পাওয়া সীমিত কিছু গ্রাহক ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এই পদক্ষেপটিকে সাময়িক উল্লেখ করে কোম্পানিটি জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে তারা আশা করছে।
এর কয়েক ঘণ্টা পর অ্যানথ্রোপিক ঘোষণা করে যে, প্রশাসন তাদের ‘মিথোস ৫’ সাইবার নিরাপত্তা মডেলটি সীমিত আকারে ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে। এর ঠিক দুই সপ্তাহ আগে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ মডেলটির ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। কোম্পানিটি জানায়, শুরুতে কেবল নির্দিষ্ট কিছু সাইবার নিরাপত্তা কর্মী এবং অবকাঠামো সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এই মডেলটি ব্যবহার করতে পারবে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দিন দিন শক্তিশালী হতে থাকা এআই প্রযুক্তির কারণে জাতীয় নিরাপত্তার যে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবেলা তারা শীর্ষস্থানীয় এআই কোম্পানিগুলোর সাথে কাজ করছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। এর ফলে জনসাধারণের জন্য ছাড়ার আগে যেকোনো উন্নত এআই সিস্টেমকে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার একটি নিয়ম চালু হয়।
তবে সরকারের এই নীতির সমালোচনা করেছেন বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। তারা সতর্ক করে বলেছেন, এআই ছাড়ার ওপর সরকারের এই নিয়ন্ত্রণ আমেরিকার উদ্ভাবন ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এদিকে এই খাতে সরকারি নজরদারি বাড়তে থাকায় ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রোপিক—উভয় কোম্পানিই এখন শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

বিশ্ব ব্যাংকের পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশের গড় এইচএসসি শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত দক্ষতা অনেক ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর সমমানের। এই বাস্তবতা আমাদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।