
নিহতদের মধ্যে নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার ১৩ জন, নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার দুজন এবং রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার একজন রয়েছেন।

হরিয়ান ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছাবের আলী পালু জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্রতিবেশী মো. পরশ (১৮) নামের একটি ছেলে ফরিদা খাতুনকে ছুরিকাঘাত করেন। ঘটনার পর উত্তেজিত গ্রামবাসী অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

সকাল প্রায় ৬টার দিকে বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস নামের একটি বাসের সঙ্গে সরাডাঙ্গি এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

ওসি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই দম্পতির ছেলে তাদের সঙ্গে আর্থিক বিরোধে জড়িয়েছিলেন।

ইতিমধ্যে অসংখ্য বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গাছপালা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেক বাসিন্দা নিজেদের ঘরবাড়ি খুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। আবার অনেকে সবকিছু হারিয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।

স্বজনদের দাবি, রোববার বিকেলে রুনা বেগম স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে প্রথমে তাকে নাটোর সদর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আল-সান হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানে তাকে অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয়। রাত প্রায় ১১টার দিকে হাসপাতালের মালিক বাবলু রোগীর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দেন।

নাটোর শহরের লেংগুরিয়া এলাকা থেকে একটি পুকুরে ভাসমান অবস্থায় রিকশাচালক কামাল রুইদাসের (৩৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, সদর উপজেলার রায় আমহাটি এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে ৬৫ বছর বয়সী মোতালেব খানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে মকবুল হোসেন (৫২), তার ছেলে শাহিন আলম (৩০) এবং আরও কয়েকজন ওই বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে আবদুর রাজ্জাককে ঘুষি-লাথি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

কুষ্টিয়ার আসাদুল্লাহ বলেন, “জ্বর নিয়ে এসেছিলাম, এখন দেখছি বাচ্চার শরীরে হামের লক্ষণ। সব রোগীকে এক জায়গায় রাখায় সুস্থ বাচ্চা আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছে। প্রতিটি রোগের জন্য আলাদা ওয়ার্ড করা জরুরি।”

দলটি জানিয়েছে, তারা দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে তাদের বহিষ্কৃত করা হয়েছে।