নাটোরে নিহত দুই শিশুর জানাজার সময় সুরতহাল প্রতিবেদন করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের দুই সদস্য। পরে তদন্তে ত্রুটির অভিযোগে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নাটোরের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ শারিকুল হক জানান, দুই পুলিশ সদস্যের তদন্তে ত্রুটি ছিল। তাই তাদের পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার রাতে গুরুদাসপুর উপজেলায় নদীতে গোসল করার সময় প্রবল স্রোতে ভেসে যায় শামপুর গ্রামের বাসিন্দা ফজলুর রহমান ফজুর ছেলে ফারহান (৭) এবং বাবলুর ছেলে লাম ইসলাম (৮)। পরে স্থানীয় বাসিন্দা অর্জুন হালদার নদীতে খোঁজাখুঁজি করে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেন।
এই ঘটনায় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির জন্য রাত ৮টার দিকে নাজিরপুর ইউনিয়নের ওয়াপদা বাজার এলাকায় যান দুই পুলিশ সদস্য উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার ও কনস্টেবল রাকিব। তখন স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে দুই শিশুর জানাজা চলছিল। তারা মরদেহ দুটি থানায় নেওয়ার কথা বললে জানাজায় অংশ নেওয়া লোকজন বাধা দেয়। এরপর তারা সেখানেই সুরতহাল করার চেষ্টা করায় ক্ষুব্ধ লোকজন তাদের ওপর হামলা করে। হামলায় ওই দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) রিয়াজুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অপমৃত্যুর ঘটনার ক্ষেত্রে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণেই সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করতে তাদের পাঠানো হয়েছিল।