চরচা প্রতিবেদক

দুজনের ভূমিকাই অলরাউন্ডারের। একজনের মূল শক্তি বোলিং, অন্যজনের ব্যাটিং। স্বাভাবিকভাবেই মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোসাদ্দেক হোসেনের মধ্যে তুলনা চলেই আসে। তবে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মিরাজ মনে করেন, তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কোনো প্রশ্নই নেই। বরং চার বছর পর জাতীয় দলে মোসাদ্দেকের প্রত্যাবর্তনে তিনি খুশিই।
এই বিতর্কের সূত্রপাত করেছিলেন সাবেক প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন। মোসাদ্দেককে দীর্ঘদিন দলে না রাখার প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, মিরাজ দলে থাকলে মোসাদ্দেকের সুযোগ পাওয়া নেই। তবে তার বিদায়ের পর এক সিরিজ বাদেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে দলে ফিরেছেন মোসাদ্দেক। চলমান ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই মূলত তার ফেরার পথ খুলে দিয়েছে।
সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনে মিরাজকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে মোসাদ্দেককে ঘিরেই। বাংলাদেশের অধিনায়ক অবশ্য বিষয়টিকে দেখছেন ইতিবাচকভাবে, “আমি আর মোসাদ্দেক অনেক দিন ধরেই একসঙ্গে খেলছি। ২০১৯ বিশ্বকাপেও আমরা একই দলে ছিলাম। তাই আমার কাছে মনে হয় না এটা কোনো বড় ইস্যু। মোসাদ্দেক তার কাজ করবে, আমি আমার কাজ করব। সে মূলত ব্যাটিং অলরাউন্ডার, আর আমি বোলিং অলরাউন্ডার। তাই দলে আমাদের ভূমিকা আলাদা। সে যদি ভালো পারফর্ম করে, তাহলে সেটা আমার জন্যও ভালো, দলের জন্যও ভালো। দিনশেষে আমাদের লক্ষ্য দলকে এগিয়ে নেওয়া। আমি আত্মবিশ্বাসী, সুযোগ পেলে সে ভালো করবে।”
ঘরোয়া ক্রিকেটে গত কয়েক বছর ধরেই ধারাবাহিক পারফরমারদের একজন মোসাদ্দেক। এবারের ডিপিএলে আবাহনীর হয়ে সাত ইনিংসে একটি সেঞ্চুরি ও দুটি ফিফটিতে প্রায় ৭০ গড়ে করেছেন ৩৩৬ রান। তার স্ট্রাইক রেট ১২০-এর বেশি। পাশাপাশি অফ স্পিনে নিয়েছেন ১২ উইকেট।
ডিপিএলে চার ও পাঁচ নম্বরে ব্যাট করলেও জাতীয় দলে তার জন্য ছয় নম্বর পজিশনই সবচেয়ে সম্ভাব্য। তবে মিরাজ মনে করেন, এই ভূমিকায়ও সফল হতে পারবেন মোসাদ্দেক, “মোসাদ্দেক অনেক বছর ধরেই ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করছে। এখন সে খুব ভালো ছন্দেও আছে। আমার কাছে মনে হয়, তাকে দলে নেওয়ার জন্য এটাই সেরা সময়। আমরা যে ভূমিকায় তাকে ভাবছি, সেখানে সে ভালো করতে পারলে দলেরই উপকার হবে।”
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে কার্যকর ষষ্ঠ বোলারের অভাব। পাঁচজন বিশেষজ্ঞ বোলার নিয়ে খেলতে গিয়ে প্রায়ই বিপাকে পড়তে হয়েছে দলকে। মোসাদ্দেক এই সমস্যারও সমাধান হিসেবে দেখছেন মিরাজ, “পাঁচজন বোলার নিয়ে খেলা আর ছয়জন বোলার নিয়ে খেলার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। অতিরিক্ত একজন বোলার থাকলে অধিনায়কের হাতে আরও বিকল্প থাকে। ঘরোয়া ক্রিকেটে মোসাদ্দেক ভালো বোলিং করছে। সুযোগ পেলে জাতীয় দলেও সে কার্যকর হতে পারবে। ভালো জায়গায় বল করতে পারলে সে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে উঠবে।”
মিডল অর্ডারে গত কয়েক সিরিজ ধরেই নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে বাংলাদেশ। জাকের আলি ছিটকে যাওয়ার পর ছয় নম্বরে আফিফ হোসেনকে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড সিরিজে তিনি প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। তাওহীদ হৃদয়, এমনকি লিটন দাসকেও নিচের দিকে ব্যাট করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে সাত নম্বরে ব্যাট করা মিরাজও নিয়মিত রান পাচ্ছিলেন না।
তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে সমাধান খুঁজে পাওয়ার আশা দেখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, “আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী। আগে মিডল অর্ডারে যারা খেলত, তারা অনেক অভিজ্ঞ ছিল। এখন আমরা ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছি। দলে যারা আছে, তারা ভালো ক্রিকেট খেলছে এবং ঘরোয়া ক্রিকেটেও ধারাবাহিক। তাওহীদ হৃদয়, মোসাদ্দেক, এমনকি লিটনও রানের মধ্যে আছে। আমার কাছে মনে হয়, এখন আমাদের খুব ভালো একটি কম্বিনেশন তৈরি হয়েছে।”
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ৯ জুন সকাল ১১টায়। সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচও হবে একই ভেন্যুতে।

দুজনের ভূমিকাই অলরাউন্ডারের। একজনের মূল শক্তি বোলিং, অন্যজনের ব্যাটিং। স্বাভাবিকভাবেই মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোসাদ্দেক হোসেনের মধ্যে তুলনা চলেই আসে। তবে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মিরাজ মনে করেন, তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কোনো প্রশ্নই নেই। বরং চার বছর পর জাতীয় দলে মোসাদ্দেকের প্রত্যাবর্তনে তিনি খুশিই।
এই বিতর্কের সূত্রপাত করেছিলেন সাবেক প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন। মোসাদ্দেককে দীর্ঘদিন দলে না রাখার প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, মিরাজ দলে থাকলে মোসাদ্দেকের সুযোগ পাওয়া নেই। তবে তার বিদায়ের পর এক সিরিজ বাদেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে দলে ফিরেছেন মোসাদ্দেক। চলমান ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই মূলত তার ফেরার পথ খুলে দিয়েছে।
সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনে মিরাজকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে মোসাদ্দেককে ঘিরেই। বাংলাদেশের অধিনায়ক অবশ্য বিষয়টিকে দেখছেন ইতিবাচকভাবে, “আমি আর মোসাদ্দেক অনেক দিন ধরেই একসঙ্গে খেলছি। ২০১৯ বিশ্বকাপেও আমরা একই দলে ছিলাম। তাই আমার কাছে মনে হয় না এটা কোনো বড় ইস্যু। মোসাদ্দেক তার কাজ করবে, আমি আমার কাজ করব। সে মূলত ব্যাটিং অলরাউন্ডার, আর আমি বোলিং অলরাউন্ডার। তাই দলে আমাদের ভূমিকা আলাদা। সে যদি ভালো পারফর্ম করে, তাহলে সেটা আমার জন্যও ভালো, দলের জন্যও ভালো। দিনশেষে আমাদের লক্ষ্য দলকে এগিয়ে নেওয়া। আমি আত্মবিশ্বাসী, সুযোগ পেলে সে ভালো করবে।”
ঘরোয়া ক্রিকেটে গত কয়েক বছর ধরেই ধারাবাহিক পারফরমারদের একজন মোসাদ্দেক। এবারের ডিপিএলে আবাহনীর হয়ে সাত ইনিংসে একটি সেঞ্চুরি ও দুটি ফিফটিতে প্রায় ৭০ গড়ে করেছেন ৩৩৬ রান। তার স্ট্রাইক রেট ১২০-এর বেশি। পাশাপাশি অফ স্পিনে নিয়েছেন ১২ উইকেট।
ডিপিএলে চার ও পাঁচ নম্বরে ব্যাট করলেও জাতীয় দলে তার জন্য ছয় নম্বর পজিশনই সবচেয়ে সম্ভাব্য। তবে মিরাজ মনে করেন, এই ভূমিকায়ও সফল হতে পারবেন মোসাদ্দেক, “মোসাদ্দেক অনেক বছর ধরেই ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করছে। এখন সে খুব ভালো ছন্দেও আছে। আমার কাছে মনে হয়, তাকে দলে নেওয়ার জন্য এটাই সেরা সময়। আমরা যে ভূমিকায় তাকে ভাবছি, সেখানে সে ভালো করতে পারলে দলেরই উপকার হবে।”
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে কার্যকর ষষ্ঠ বোলারের অভাব। পাঁচজন বিশেষজ্ঞ বোলার নিয়ে খেলতে গিয়ে প্রায়ই বিপাকে পড়তে হয়েছে দলকে। মোসাদ্দেক এই সমস্যারও সমাধান হিসেবে দেখছেন মিরাজ, “পাঁচজন বোলার নিয়ে খেলা আর ছয়জন বোলার নিয়ে খেলার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। অতিরিক্ত একজন বোলার থাকলে অধিনায়কের হাতে আরও বিকল্প থাকে। ঘরোয়া ক্রিকেটে মোসাদ্দেক ভালো বোলিং করছে। সুযোগ পেলে জাতীয় দলেও সে কার্যকর হতে পারবে। ভালো জায়গায় বল করতে পারলে সে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে উঠবে।”
মিডল অর্ডারে গত কয়েক সিরিজ ধরেই নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে বাংলাদেশ। জাকের আলি ছিটকে যাওয়ার পর ছয় নম্বরে আফিফ হোসেনকে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড সিরিজে তিনি প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। তাওহীদ হৃদয়, এমনকি লিটন দাসকেও নিচের দিকে ব্যাট করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে সাত নম্বরে ব্যাট করা মিরাজও নিয়মিত রান পাচ্ছিলেন না।
তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে সমাধান খুঁজে পাওয়ার আশা দেখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, “আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী। আগে মিডল অর্ডারে যারা খেলত, তারা অনেক অভিজ্ঞ ছিল। এখন আমরা ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছি। দলে যারা আছে, তারা ভালো ক্রিকেট খেলছে এবং ঘরোয়া ক্রিকেটেও ধারাবাহিক। তাওহীদ হৃদয়, মোসাদ্দেক, এমনকি লিটনও রানের মধ্যে আছে। আমার কাছে মনে হয়, এখন আমাদের খুব ভালো একটি কম্বিনেশন তৈরি হয়েছে।”
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ৯ জুন সকাল ১১টায়। সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচও হবে একই ভেন্যুতে।