
টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডে যোগ দিলেন সেলিম রায়হান
সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বাংলাদেশে নারী হকির অভূতপূর্ব সাফল্য এবং এই খাতে পূর্ববর্তী উদ্যোগগুলোর ইতিবাচক ফলাফলের ধারাবাহিকতায় ‘ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি উন্নয়ন কর্মসূচি’ সম্প্রসারণে ২০২৬ সালের জন্য আরও ২ কোটি টাকার অঙ্গীকার করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাথে নতুন করে একটি অংশীদারিত্ব চুক্তি করেছে ব্যাংকটি।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়।
এই বিনিয়োগের মাধ্যমে সারা বছরব্যাপী পরিচালিত হবে একটি সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচি, যার লক্ষ্য নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা, খেলোয়াড়দের দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের নারী হকি খেলোয়াড় তৈরির জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তোলা। এর আগে ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি টুর্নামেন্ট ২০২৫ আয়োজনে প্রায় ১ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছিল ব্র্যাক ব্যাংক।
সম্প্রতি ব্র্যাক ব্যাংকের ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উদীয়মান নারী হকি খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। জেলা পর্যায়ে প্রতিভা অনুসন্ধান ও প্রশিক্ষণ, গোলরক্ষকদের জন্য বিশেষায়িত আবাসিক প্রশিক্ষণ, বিকেএসপির মেধাবী খেলোয়াড়দের জন্য শিক্ষাবৃত্তি এবং জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের জন্য একটি সুস্পষ্ট উন্নয়নধারা তৈরি করা হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে ৫০০-এর বেশি নারী খেলোয়াড় পেশাদার প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন। নতুন খেলোয়াড়দের পাশাপাশি শীর্ষ পর্যায়ের খেলোয়াড়দের জন্যও থাকবে উন্নত প্রশিক্ষণ সুবিধা, যাতে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য আরও প্রস্তুত হয়ে উঠতে পারেন।
কর্মসূচির সমাপনী আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে ‘ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি টুর্নামেন্ট ২০২৬’, যেখানে সারা দেশ থেকে উঠে আসা প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন।

সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশের নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদকদের সমন্বয়ে ‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশেরও কম পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। বিদ্যমান ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর বাস্তবায়নে ঘাটতির কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই চুক্তির আওতায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা (পিও) এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের (এমএফআই) মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রদান করতে পারবে।