চরচা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দীর্ঘমেয়াদী কোনো শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে বেশ কিছু কঠোর পূর্বশর্ত জুড়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির একজন উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সূত্রটি জানিয়েছে, তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে কোনো ধরনের সাময়িক যুদ্ধবিরতি তারা গ্রহণ করবে না। বরং একটি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনার জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। সেগুলো হলো–
ইরানের ওপর চলমান বা সম্ভাব্য সকল সামরিক হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, ভবিষ্যতে ইরান বা ইরানি স্বার্থে কোনো হামলা চালানো হবে না—এমন আন্তর্জাতিক ও আইনি নিশ্চয়তা দিতে হবে। এ ছাড়া এ পর্যন্ত হওয়া সকল ক্ষয়ক্ষতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে যথাযথ আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান আরেকটি প্রস্তাব দিয়েছে। তারা চায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সকল জাহাজ থেকে ট্রানজিট ফি আদায়ের আইনগত অধিকার। এই ফির হার জাহাজের ধরণ, বহনকৃত পণ্য এবং তৎকালীন পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে।
আপাতত তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, কোনো অস্থায়ী সমাধান নয়, বরং পূর্ণাঙ্গ সার্বভৌমত্ব এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা হলেই কেবল তারা আলোচনায় বসবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দীর্ঘমেয়াদী কোনো শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে বেশ কিছু কঠোর পূর্বশর্ত জুড়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির একজন উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সূত্রটি জানিয়েছে, তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে কোনো ধরনের সাময়িক যুদ্ধবিরতি তারা গ্রহণ করবে না। বরং একটি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনার জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। সেগুলো হলো–
ইরানের ওপর চলমান বা সম্ভাব্য সকল সামরিক হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, ভবিষ্যতে ইরান বা ইরানি স্বার্থে কোনো হামলা চালানো হবে না—এমন আন্তর্জাতিক ও আইনি নিশ্চয়তা দিতে হবে। এ ছাড়া এ পর্যন্ত হওয়া সকল ক্ষয়ক্ষতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে যথাযথ আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান আরেকটি প্রস্তাব দিয়েছে। তারা চায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সকল জাহাজ থেকে ট্রানজিট ফি আদায়ের আইনগত অধিকার। এই ফির হার জাহাজের ধরণ, বহনকৃত পণ্য এবং তৎকালীন পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে।
আপাতত তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, কোনো অস্থায়ী সমাধান নয়, বরং পূর্ণাঙ্গ সার্বভৌমত্ব এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা হলেই কেবল তারা আলোচনায় বসবে।