চরচা প্রতিবেদক

পাকিস্তানকে বলা হয় ক্রিকেটের ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ দল। তবে বাংলাদেশ সেই তকমা নিজেদের করে নেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টাটাই যেন করে যাচ্ছে। সেই ধারায় সদ্যই পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করা নাজমুল হোসেনের দল জিম্বাবুয়ের কাছে টেস্টে হারলেন ইনিংস ব্যবধানে, তাও মাত্র তিন দিনেই!
বেশ কিছুটা সময় ধরেই টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের উন্নতি চোখে পড়ার মত। পাকিস্তানকে ঘরের মাটিতে ২-০ তে সিরিজ হারানো দলটি তাই জিম্বাবুয়েকে হেসেখেলেই হারাবে, এটাই ছিল প্রত্যাশা। তবে বিস্ময়করভাবে ব্যাটে-বলে হতশ্রী পারফরম্যান্সে হারারেতে বড্ড অচেনাই ছিলেন তারা। ফলাফল ইনিংস ও ৮৫ রানের বিশাল পরাজয়।
মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হয়ে প্রথম দিনের প্রথম দুই সেশনেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। ম্যাচের আরও দুই দিন বাকি থাকলেও দ্বিতীয় ইনিংসে কেউই পারেননি চূড়ান্ত নিবেদন দেখাতে। অধিনায়ক নাজমুল ও দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ত্রিশের ঘরে গিয়ে স্রেফ উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন।
প্রথম সেশনেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশের পরাজয় মূলত সেখানেই নিশ্চিত হয়ে যায়। তবুও আশা ছিল দুই অভিষিক্ত তাওহীদ হৃদয় ও অমিত হাসানকে নিয়ে। দুজনের কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। অমিত কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন ২৫ রানের ইনিংসে। তাতে শেষ পর্যন্ত ইনিংস থামে ১৮৫ রানে।
টানা দুই ইনিংসে ওপেনার ও মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার পাশাপাশি এই ম্যাচে পেসাররাও ডুবিয়েছেন বাংলাদেশকে। গোটা ম্যাচে তাই একমাত্র প্রাপ্তি তাইজুল ইসলামের ৭ উইকেটই।

পাকিস্তানকে বলা হয় ক্রিকেটের ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ দল। তবে বাংলাদেশ সেই তকমা নিজেদের করে নেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টাটাই যেন করে যাচ্ছে। সেই ধারায় সদ্যই পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করা নাজমুল হোসেনের দল জিম্বাবুয়ের কাছে টেস্টে হারলেন ইনিংস ব্যবধানে, তাও মাত্র তিন দিনেই!
বেশ কিছুটা সময় ধরেই টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের উন্নতি চোখে পড়ার মত। পাকিস্তানকে ঘরের মাটিতে ২-০ তে সিরিজ হারানো দলটি তাই জিম্বাবুয়েকে হেসেখেলেই হারাবে, এটাই ছিল প্রত্যাশা। তবে বিস্ময়করভাবে ব্যাটে-বলে হতশ্রী পারফরম্যান্সে হারারেতে বড্ড অচেনাই ছিলেন তারা। ফলাফল ইনিংস ও ৮৫ রানের বিশাল পরাজয়।
মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হয়ে প্রথম দিনের প্রথম দুই সেশনেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। ম্যাচের আরও দুই দিন বাকি থাকলেও দ্বিতীয় ইনিংসে কেউই পারেননি চূড়ান্ত নিবেদন দেখাতে। অধিনায়ক নাজমুল ও দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ত্রিশের ঘরে গিয়ে স্রেফ উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন।
প্রথম সেশনেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশের পরাজয় মূলত সেখানেই নিশ্চিত হয়ে যায়। তবুও আশা ছিল দুই অভিষিক্ত তাওহীদ হৃদয় ও অমিত হাসানকে নিয়ে। দুজনের কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। অমিত কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন ২৫ রানের ইনিংসে। তাতে শেষ পর্যন্ত ইনিংস থামে ১৮৫ রানে।
টানা দুই ইনিংসে ওপেনার ও মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার পাশাপাশি এই ম্যাচে পেসাররাও ডুবিয়েছেন বাংলাদেশকে। গোটা ম্যাচে তাই একমাত্র প্রাপ্তি তাইজুল ইসলামের ৭ উইকেটই।