চরচা প্রতিবেদক

স্বাধীনতার ৫৬ বছর পার হলেও দেশ এখনো কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শুক্রবার রাজধানীর বারিধারায় জেসিআই কার্নিভাল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা জাতি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি। তবে গত ৫৬ বছরে খুব একটা ভালো করতে পারিনি আমরা। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এখন আবার সেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে দেশের মানুষ।”
তিনি আরও বলেন, “রাজনীতিতে অনেক কচকচানি কথাই থাকবে। পার্লামেন্টের কথা শুনলে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে, অনেকের ভালো লাগবে না। রাস্তায় বিভিন্ন বক্তৃতা শুনলে, কথা শুনলে আপনাদের মনে হবে যে, এটা আবার কী হলো! এটা আমরা আশা করিনি।”
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “টেলিভিশনের টকশো আপনাদেরকে বিভ্রান্ত করবে। আরও বেশি বিভ্রান্ত করবে সোশ্যাল মিডিয়া, যে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনারা এখন সবাই আক্রান্ত। এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনাদের ভাবতে হবে।”
ফখরুল বলেন, “এখনো আমাদের মাথাপিছু আয় অনেক কম। আমাদের জিডিপি অনেক কম। এখনো আমাদের প্রায় ৪২ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। এখনো আমাদের অনেক মানুষ দুবেলা খেতে পান না। এই শহরের ফুটপাথে মানুষ শুয়ে থাকে, পড়ে থাকে পরিবার নিয়ে—তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নাই। এখনো আমাদের অসংখ্য ছেলে-মেয়েরা, শিশুরা লেখাপড়া করতে পারে না, তাদেরকে শ্রম বিক্রি করে বেঁচে থাকতে হয়। এই যে একটা দেশ, এই যে সমাজ, এটাকে পরিবর্তন করার জন্যে আমরা বহুবার চেষ্টা করেছি। আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তিকে দায়ী করতে চাই না, কিন্তু এটা আমাদের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা।”
তিনি আরও বলেন, “এ কথা বলতে আমার কোনো দ্বিধা নেই যে, আরও অনেক কিছু করার ছিল। অন্তত যে শতকরা ৪২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে, তাদের দারিদ্র্য দূর করে উপরে টেনে তোলার কাজটা আমরা করতে পারিনি।”
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “একটা দীর্ঘ সংগ্রাম, প্রায় ১৫ বছরের একটা ফ্যাসিস্ট শাসনের পরে যখন আমাদের দম বন্ধ হয়ে আসছিল। যখন আমরা কথা বলতে পারতাম না। যখন আমাদের প্রিয়জন হারিয়ে গেলে, নিখোঁজ হয়ে গেলে তাকে আমরা খুঁজে পেতাম না। গুম হয়ে যেত। যখন আমরা চোখের সামনে দেখলাম ২৪ জুলাইয়ে আমাদের ছোট ছোট ছেলেরা-মেয়েরা প্রাণ দিচ্ছে অকাতরে দেশের পরিবর্তনের জন্য, আমাদের মনে আবার স্বপ্ন জেগে উঠেছে।”

স্বাধীনতার ৫৬ বছর পার হলেও দেশ এখনো কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শুক্রবার রাজধানীর বারিধারায় জেসিআই কার্নিভাল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা জাতি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি। তবে গত ৫৬ বছরে খুব একটা ভালো করতে পারিনি আমরা। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এখন আবার সেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে দেশের মানুষ।”
তিনি আরও বলেন, “রাজনীতিতে অনেক কচকচানি কথাই থাকবে। পার্লামেন্টের কথা শুনলে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে, অনেকের ভালো লাগবে না। রাস্তায় বিভিন্ন বক্তৃতা শুনলে, কথা শুনলে আপনাদের মনে হবে যে, এটা আবার কী হলো! এটা আমরা আশা করিনি।”
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “টেলিভিশনের টকশো আপনাদেরকে বিভ্রান্ত করবে। আরও বেশি বিভ্রান্ত করবে সোশ্যাল মিডিয়া, যে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনারা এখন সবাই আক্রান্ত। এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনাদের ভাবতে হবে।”
ফখরুল বলেন, “এখনো আমাদের মাথাপিছু আয় অনেক কম। আমাদের জিডিপি অনেক কম। এখনো আমাদের প্রায় ৪২ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। এখনো আমাদের অনেক মানুষ দুবেলা খেতে পান না। এই শহরের ফুটপাথে মানুষ শুয়ে থাকে, পড়ে থাকে পরিবার নিয়ে—তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নাই। এখনো আমাদের অসংখ্য ছেলে-মেয়েরা, শিশুরা লেখাপড়া করতে পারে না, তাদেরকে শ্রম বিক্রি করে বেঁচে থাকতে হয়। এই যে একটা দেশ, এই যে সমাজ, এটাকে পরিবর্তন করার জন্যে আমরা বহুবার চেষ্টা করেছি। আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তিকে দায়ী করতে চাই না, কিন্তু এটা আমাদের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা।”
তিনি আরও বলেন, “এ কথা বলতে আমার কোনো দ্বিধা নেই যে, আরও অনেক কিছু করার ছিল। অন্তত যে শতকরা ৪২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে, তাদের দারিদ্র্য দূর করে উপরে টেনে তোলার কাজটা আমরা করতে পারিনি।”
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “একটা দীর্ঘ সংগ্রাম, প্রায় ১৫ বছরের একটা ফ্যাসিস্ট শাসনের পরে যখন আমাদের দম বন্ধ হয়ে আসছিল। যখন আমরা কথা বলতে পারতাম না। যখন আমাদের প্রিয়জন হারিয়ে গেলে, নিখোঁজ হয়ে গেলে তাকে আমরা খুঁজে পেতাম না। গুম হয়ে যেত। যখন আমরা চোখের সামনে দেখলাম ২৪ জুলাইয়ে আমাদের ছোট ছোট ছেলেরা-মেয়েরা প্রাণ দিচ্ছে অকাতরে দেশের পরিবর্তনের জন্য, আমাদের মনে আবার স্বপ্ন জেগে উঠেছে।”