চরচা প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশের ঋণ কার্যক্রমের মুলতুবি থাকা কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানায়নি। সংস্থাটির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন বুধবার ওয়াশিংটনে স্প্রিং মিটিংসের প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ‘পরবর্তীতে আপডেট জানানো হবে।’
কিস্তি কেন আটকে আছে
শ্রীনিবাসন সরাসরি স্বীকার করেন যে বাংলাদেশের রাজস্ব আদায়ের হার বিশ্বের সর্বনিম্নের মধ্যে একটি এবং গত তিন বছরে তা আরও কমেছে। তিনি বলেন, প্রোগ্রামের তিনটি মূল স্তম্ভ-রাজস্ব সংস্কার, আর্থিক খাত পুনরুদ্ধার এবং বিনিময় হার সংস্কার— প্রতিটিতেই কাজ বাকি রয়েছে। তার ভাষায়, “তিনটি ক্ষেত্রেই কাজ করার আছে।”
বাংলাদেশি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে শ্রীনিবাসন বলেন, “কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ক্রমাগত আলোচনা করছে, এবং পরে একটি আপডেট দেওয়া হবে।” অর্থাৎ কিস্তি ছাড়ের কোনো নিশ্চিত ঘোষণা এই মুহূর্তে নেই।
সরকারকে ‘উচ্চাভিলাষী সংস্কারের’ পরামর্শ
ব্রিফিং-এ শ্রীনিবাসন জানান, তিন সপ্তাহ আগে তিনি বাংলাদেশ সফর করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তিনি বলেন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে একটি নতুন সরকারের জন্য এটি সাহসী সংস্কার গ্রহণের উপযুক্ত সময়। সরকার তার পরামর্শ ‘শুনেছে’ বলে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এখন দেখার অপেক্ষা—সরকার কীভাবে সাড়া দেয়।
জ্বালানি সংকটে বাড়তি চাপ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি ধাক্কায় বাংলাদেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে স্বীকার করেন শ্রীনিবাসন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজস্ব ভিত্তি দুর্বল হওয়ায় সাধারণ মানুষকে সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতা সীমিত। তবে যে সামান্য সম্পদ আছে, তা-ও যতটা সম্ভব লক্ষ্যভিত্তিক উপায়ে ব্যয় করার পরামর্শ দেন তিনি।
অতিরিক্ত অর্থায়নের প্রশ্নে অস্পষ্টতা
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বাজেট সহায়তা হিসেবে অতিরিক্ত অর্থায়নের প্যাকেজ দেওয়া হবে কি না জিজ্ঞেস করলে শ্রীনিবাসন সরাসরি জবাব না দিয়ে বলেন, আলোচনা চলছে এবং পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত হবে।
আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা এর আগে বলেছিলেন, অতিরিক্ত অর্থায়নের প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর আলোচনায় দেরি করা উচিত নয়। তবে ব্রিফিংয়ে শ্রীনিবাসন এ বিষয়ে কোনো নতুন প্রতিশ্রুতি দেননি।
আইএমএফের ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কার্যক্রমের আওতায় বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি কিস্তি পেয়েছে। তবে শর্ত পূরণে ঘাটতির কারণে সাম্প্রতিক কিস্তি আটকে রয়েছে বলে সরকারি ও বেসরকারি সূত্রে জানা গেছে। আইএমএফের এই ব্রিফিং থেকে স্পষ্ট যে শর্ত পূরণের অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা কম।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশের ঋণ কার্যক্রমের মুলতুবি থাকা কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানায়নি। সংস্থাটির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন বুধবার ওয়াশিংটনে স্প্রিং মিটিংসের প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ‘পরবর্তীতে আপডেট জানানো হবে।’
কিস্তি কেন আটকে আছে
শ্রীনিবাসন সরাসরি স্বীকার করেন যে বাংলাদেশের রাজস্ব আদায়ের হার বিশ্বের সর্বনিম্নের মধ্যে একটি এবং গত তিন বছরে তা আরও কমেছে। তিনি বলেন, প্রোগ্রামের তিনটি মূল স্তম্ভ-রাজস্ব সংস্কার, আর্থিক খাত পুনরুদ্ধার এবং বিনিময় হার সংস্কার— প্রতিটিতেই কাজ বাকি রয়েছে। তার ভাষায়, “তিনটি ক্ষেত্রেই কাজ করার আছে।”
বাংলাদেশি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে শ্রীনিবাসন বলেন, “কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ক্রমাগত আলোচনা করছে, এবং পরে একটি আপডেট দেওয়া হবে।” অর্থাৎ কিস্তি ছাড়ের কোনো নিশ্চিত ঘোষণা এই মুহূর্তে নেই।
সরকারকে ‘উচ্চাভিলাষী সংস্কারের’ পরামর্শ
ব্রিফিং-এ শ্রীনিবাসন জানান, তিন সপ্তাহ আগে তিনি বাংলাদেশ সফর করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তিনি বলেন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে একটি নতুন সরকারের জন্য এটি সাহসী সংস্কার গ্রহণের উপযুক্ত সময়। সরকার তার পরামর্শ ‘শুনেছে’ বলে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এখন দেখার অপেক্ষা—সরকার কীভাবে সাড়া দেয়।
জ্বালানি সংকটে বাড়তি চাপ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি ধাক্কায় বাংলাদেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে স্বীকার করেন শ্রীনিবাসন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজস্ব ভিত্তি দুর্বল হওয়ায় সাধারণ মানুষকে সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতা সীমিত। তবে যে সামান্য সম্পদ আছে, তা-ও যতটা সম্ভব লক্ষ্যভিত্তিক উপায়ে ব্যয় করার পরামর্শ দেন তিনি।
অতিরিক্ত অর্থায়নের প্রশ্নে অস্পষ্টতা
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বাজেট সহায়তা হিসেবে অতিরিক্ত অর্থায়নের প্যাকেজ দেওয়া হবে কি না জিজ্ঞেস করলে শ্রীনিবাসন সরাসরি জবাব না দিয়ে বলেন, আলোচনা চলছে এবং পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত হবে।
আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা এর আগে বলেছিলেন, অতিরিক্ত অর্থায়নের প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর আলোচনায় দেরি করা উচিত নয়। তবে ব্রিফিংয়ে শ্রীনিবাসন এ বিষয়ে কোনো নতুন প্রতিশ্রুতি দেননি।
আইএমএফের ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কার্যক্রমের আওতায় বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি কিস্তি পেয়েছে। তবে শর্ত পূরণে ঘাটতির কারণে সাম্প্রতিক কিস্তি আটকে রয়েছে বলে সরকারি ও বেসরকারি সূত্রে জানা গেছে। আইএমএফের এই ব্রিফিং থেকে স্পষ্ট যে শর্ত পূরণের অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা কম।