চরচা ডেস্ক

কাজের ফাঁকে কিংবা ক্লাসরুমে অতিরিক্ত ঝিমুনি লাগলে চট করে মাথায় আসে এক কাপ ব্ল্যাক কফি। আর দুধ-চা বা মিল্ক কফির বদলে ব্ল্যাক কফি খেলে কিন্তু শরীরে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন চোখে পড়ে। ঝিমুনিটা কিছুটা কম অনুভূত হয়। এ ছাড়াও কিন্তু নানা পরিবর্তন হতে পারে শরীরে।
ভারতের মহারাষ্ট্রের থানেতে অবস্থিত কিমস হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ ডা. আমরিন শেখ দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, প্রথম যে পরিবর্তনটি দেখা যায় তা হলো দৈনিক ক্যালরি গ্রহণ কমে যাওয়া।
এই পুষ্টিবিদ বলেন, “মিল্ক কফি, বিশেষ করে তাতে চিনি মেশানো হলে দুধের ফ্যাট ও ল্যাকটোজ থেকে লুকানো ক্যালরিও যোগ হয়। অন্যদিকে ব্ল্যাক কফিতে প্রায় কোনো ক্যালোরিই থাকে না।”
এ কারণে অনেকেই কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শরীর হালকা লাগা এবং পেট ফাঁপা কম অনুভূত হয় বলে জানিয়েছেন অনেকে। বিশেষ করে যাদের দুধে সংবেদনশীলতা আছে, তাদের জন্য ব্ল্যাক কফি ভালো কাজ করে।
ব্ল্যাক কফি কি ওজন নিয়ন্ত্রণে কোনো ভূমিকা রাখে?
ডা. আমরিন শেখ বলেছেন, দুধ-চা বা মিল্ক কফির বদলে ব্ল্যাক কফি খেলে সেটি ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
এই পুষ্টিবিদ বলেন, “ছয় মাস ধরে কফি থেকে দুধ ও চিনি বাদ দিলে ধীরে ধীরে একটি স্থায়ী ক্যালোরি ঘাটতি তৈরি হয়। শুধু ব্ল্যাক কফি খেলে ওজন কমবে এমন নয়, তবে সুষম খাবার ও নিয়মিত শরীরচর্চার সঙ্গে এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। এছাড়া ক্যাফেইন সামান্য মাত্রায় বিপাকক্রিয়া বাড়াতে এবং ব্যায়ামের সময় শরীরের চর্বি ব্যবহারে সহায়তা করতে পারে।”
হজমে কী প্রভাব পড়ে?
ডা. আমরিন শেখ জানান, ব্ল্যাক কফি পাকস্থলীতে অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ায়, যা কিছু মানুষের হজমে সহায়ক হতে পারে।

এই পুষ্টিবিদের ভাষ্য, “তবে যাদের অম্বল বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা আছে, তারা খালি পেটে ব্ল্যাক কফি খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। দুধ অ্যাসিডিটি কিছুটা কমায়, তাই ব্ল্যাক কফি সকালে খালি পেটে না খেয়ে খাবারের পর খাওয়াই ভালো।”
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে করতে পারে?
ব্ল্যাক কফি খাওয়া শুরু করলে মিষ্টি মিল্ক কফি থেকে হওয়া রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি এড়ানো যায় বলে মনে করেন ডা. আমরিন। তিনি বলেন, “যাদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা প্রিডায়াবেটিস আছে, তাদের জন্য এটি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। চিনি কম খেলে সময়ের সঙ্গে ইনসুলিন সংবেদনশীলতাও উন্নত হতে পারে।”
শক্তির মাত্রায় কি পার্থক্য আসে?
অনেকেই ব্ল্যাক কফি খেলে তুলনামূলক হালকা ও স্থিতিশীল শক্তি অনুভব করেন।
ডা. আমরিন শেখের মতে, দুধ ও চিনি ছাড়া কফি খেলে শক্তির ওঠানামা কম হয় এবং হঠাৎ ক্লান্তি বা ‘ক্র্যাশ’ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে, কারণ এতে রক্তে শর্করার দ্রুত পরিবর্তন ঘটে না।
দুধ বাদ দিলে পুষ্টির ঘাটতি হয়?
ডা. আমরিন শেখ জানান, দুধ ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের উৎস। তাই কফি থেকে দুধ বাদ দিলে এই পুষ্টি উপাদান অন্য খাবার থেকে পূরণ করতে হবে। যেমন দই, পনির, বাদাম, বীজ ও শাকসবজি।
তার ভাষ্য, “ব্ল্যাক কফিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা পরিমিত পরিমাণে খেলে হৃদ্স্বাস্থ্য ও বিপাকক্রিয়ার জন্য উপকারী।”
সবার জন্য কি ব্ল্যাক কফি উপযুক্ত?
যাদের গ্যাস্ট্রাইটিস, উদ্বেগজনিত সমস্যা বা ঘুমের সমস্যা আছে, তাদের কফি গ্রহণ সীমিত রাখা উচিত বলে জানিয়েছেন এই পুষ্টিবিদ।
ডা. আমরিনের পরামর্শ, দিনে এক থেকে দুই কাপ এবং সন্ধ্যার পর ব্ল্যাক কফি না খাওয়াই ভালো।

কাজের ফাঁকে কিংবা ক্লাসরুমে অতিরিক্ত ঝিমুনি লাগলে চট করে মাথায় আসে এক কাপ ব্ল্যাক কফি। আর দুধ-চা বা মিল্ক কফির বদলে ব্ল্যাক কফি খেলে কিন্তু শরীরে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন চোখে পড়ে। ঝিমুনিটা কিছুটা কম অনুভূত হয়। এ ছাড়াও কিন্তু নানা পরিবর্তন হতে পারে শরীরে।
ভারতের মহারাষ্ট্রের থানেতে অবস্থিত কিমস হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ ডা. আমরিন শেখ দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, প্রথম যে পরিবর্তনটি দেখা যায় তা হলো দৈনিক ক্যালরি গ্রহণ কমে যাওয়া।
এই পুষ্টিবিদ বলেন, “মিল্ক কফি, বিশেষ করে তাতে চিনি মেশানো হলে দুধের ফ্যাট ও ল্যাকটোজ থেকে লুকানো ক্যালরিও যোগ হয়। অন্যদিকে ব্ল্যাক কফিতে প্রায় কোনো ক্যালোরিই থাকে না।”
এ কারণে অনেকেই কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শরীর হালকা লাগা এবং পেট ফাঁপা কম অনুভূত হয় বলে জানিয়েছেন অনেকে। বিশেষ করে যাদের দুধে সংবেদনশীলতা আছে, তাদের জন্য ব্ল্যাক কফি ভালো কাজ করে।
ব্ল্যাক কফি কি ওজন নিয়ন্ত্রণে কোনো ভূমিকা রাখে?
ডা. আমরিন শেখ বলেছেন, দুধ-চা বা মিল্ক কফির বদলে ব্ল্যাক কফি খেলে সেটি ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
এই পুষ্টিবিদ বলেন, “ছয় মাস ধরে কফি থেকে দুধ ও চিনি বাদ দিলে ধীরে ধীরে একটি স্থায়ী ক্যালোরি ঘাটতি তৈরি হয়। শুধু ব্ল্যাক কফি খেলে ওজন কমবে এমন নয়, তবে সুষম খাবার ও নিয়মিত শরীরচর্চার সঙ্গে এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। এছাড়া ক্যাফেইন সামান্য মাত্রায় বিপাকক্রিয়া বাড়াতে এবং ব্যায়ামের সময় শরীরের চর্বি ব্যবহারে সহায়তা করতে পারে।”
হজমে কী প্রভাব পড়ে?
ডা. আমরিন শেখ জানান, ব্ল্যাক কফি পাকস্থলীতে অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ায়, যা কিছু মানুষের হজমে সহায়ক হতে পারে।

এই পুষ্টিবিদের ভাষ্য, “তবে যাদের অম্বল বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা আছে, তারা খালি পেটে ব্ল্যাক কফি খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। দুধ অ্যাসিডিটি কিছুটা কমায়, তাই ব্ল্যাক কফি সকালে খালি পেটে না খেয়ে খাবারের পর খাওয়াই ভালো।”
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে করতে পারে?
ব্ল্যাক কফি খাওয়া শুরু করলে মিষ্টি মিল্ক কফি থেকে হওয়া রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি এড়ানো যায় বলে মনে করেন ডা. আমরিন। তিনি বলেন, “যাদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা প্রিডায়াবেটিস আছে, তাদের জন্য এটি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। চিনি কম খেলে সময়ের সঙ্গে ইনসুলিন সংবেদনশীলতাও উন্নত হতে পারে।”
শক্তির মাত্রায় কি পার্থক্য আসে?
অনেকেই ব্ল্যাক কফি খেলে তুলনামূলক হালকা ও স্থিতিশীল শক্তি অনুভব করেন।
ডা. আমরিন শেখের মতে, দুধ ও চিনি ছাড়া কফি খেলে শক্তির ওঠানামা কম হয় এবং হঠাৎ ক্লান্তি বা ‘ক্র্যাশ’ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে, কারণ এতে রক্তে শর্করার দ্রুত পরিবর্তন ঘটে না।
দুধ বাদ দিলে পুষ্টির ঘাটতি হয়?
ডা. আমরিন শেখ জানান, দুধ ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের উৎস। তাই কফি থেকে দুধ বাদ দিলে এই পুষ্টি উপাদান অন্য খাবার থেকে পূরণ করতে হবে। যেমন দই, পনির, বাদাম, বীজ ও শাকসবজি।
তার ভাষ্য, “ব্ল্যাক কফিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা পরিমিত পরিমাণে খেলে হৃদ্স্বাস্থ্য ও বিপাকক্রিয়ার জন্য উপকারী।”
সবার জন্য কি ব্ল্যাক কফি উপযুক্ত?
যাদের গ্যাস্ট্রাইটিস, উদ্বেগজনিত সমস্যা বা ঘুমের সমস্যা আছে, তাদের কফি গ্রহণ সীমিত রাখা উচিত বলে জানিয়েছেন এই পুষ্টিবিদ।
ডা. আমরিনের পরামর্শ, দিনে এক থেকে দুই কাপ এবং সন্ধ্যার পর ব্ল্যাক কফি না খাওয়াই ভালো।