চরচা ডেস্ক

অনেকেরই মাঝরাতে হুট করে ঘুম ভেঙে যায়। রাত ৩টার দিকে ঘুম ভেঙে গেলে অনেকেই এর সঙ্গে অতিপ্রাকৃত কিছুর সংযোগ আছে বলে মনে করেন। কিন্তু আসলে এতে কোনো অস্বাভাবিকতা নেই। এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি মানুষের শরীরের জৈবিক ছন্দের সঙ্গে সম্পর্কিত, বিশেষ করে দিন-রাত অনুযায়ী হরমোনের ওঠানামার কারণে এটি ঘটে।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস বা এনএইচএস-এর চিকিৎসক ডা. আমির খান বলেন, “প্রায়ই রাত ৩টার দিকে ঘুম থেকে জেগে ওঠা একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। তবে জীবনযাপনের কিছু অভ্যাস মানুষের রাতে বেশি ঘুম ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি করতে পারে।”
কেন রাত ৩টায় ঘুম ভেঙে যায়?
রাত ৩টার সময় ঘুম ভেঙে যাওয়া রহস্যজনক কিছু নয় বরং শরীরে কর্টিসল হরমোনের দিন-রাতভিত্তিক ওঠানামার ফল হিসেবে দেখা হয়।
আমেরিকার ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের বলছে, কর্টিসল একটি স্টেরয়েড হরমোন, যা আমাদের অ্যাড্রিনাল গ্ল্যান্ড থেকে নিঃসরিত হয়। এই হরমোন স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিককে প্রভাবিত করে এবং শরীরের মানসিক চাপের প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কর্টিসলের মাত্রা বেশি বা কম হলে তা স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
ডা. আমির বলেন, “হরমোনের দিন-রাতভিত্তিক ওঠানামাকে আমরা ‘ডিউরনাল ভেরিয়েশন’ বলি। সকালে ও দিনের বেলায় এর মাত্রা বেশি থাকে, আর রাতে ধীরে ধীরে কমে যায়। সহজভাবে বললে, সকালে কর্টিসল বেড়ে যায় বলে আপনি বেশি সজাগ থাকেন, আর রাতে এটি কমে যায় বলে শরীর শিথিল হয় এবং ঘুম আসে।”

কর্টিসলের ওঠানামার স্বাভাবিক চক্রটি ‘এব অ্যান্ড ফ্লো’ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এই স্বাভাবিক চক্রে কোনো ব্যাঘাত ঘটলে ঘুমের মান নষ্ট হতে পারে এবং মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
বিঘ্ন কেন ঘটে?
ডা. আমির খান বলেন, “যদি আপনি সবসময় মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন, তাহলে কর্টিসল হরমোনের স্বাভাবিকভাবে রাতে যে কমে যাওয়ার কথা, তা কমে না। এই কমে যাওয়া ঘুমের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তা না হলে ঘুম আসতে কষ্ট হয়।”
কর্টিসল সাধারণভাবে ভোর ৩ থেকে ৪টার দিকে আবার কিছুটা বাড়তে শুরু করে, যা স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। কিন্তু যদি আগে থেকেই আপনার শরীরে কর্টিসলের মাত্রা বেশি থাকে, তাহলে এই স্বাভাবিক বৃদ্ধিটাও অতিরিক্ত হয়ে যায়। ফলে শরীর অনেক আগেই ‘জেগে ওঠার’ সংকেত পেয়ে যায়।
সহজভাবে বললে, যখন আপনি স্ট্রেসে থাকেন, তখন আপনার শরীরে কর্টিসলের মাত্রা বেশি থাকে। রাতে এটি কমার বদলে অতিমাত্রায় থাকে, ফলে আপনি আরাম করে ঘুমাতে পারেন না।
স্ট্রেস থাকলে রাতে কর্টিসলের বৃদ্ধি আরও বেশি হয়, যা হঠাৎ করে ঘুম ভেঙে যাওয়ার কারণ হতে পারে। এরপর বাকিটা রাত জেগে বা আধো ঘুমে কাটাতে হতে পারে।
ডা. আমির খান বলেন, “রাত ৩টার দিকে ঘুম ভাঙা খুব সাধারণ একটি বিষয়। এতে কোনো রহস্য বা ‘ভৌতিক’ কিছু নেই। এর মাধ্যমে শরীর আসলে জানিয়ে দেয় যে দৈনন্দিন জীবনে মানসিক চাপ কতটা সাধারণ হয়ে উঠেছে।”
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

অনেকেরই মাঝরাতে হুট করে ঘুম ভেঙে যায়। রাত ৩টার দিকে ঘুম ভেঙে গেলে অনেকেই এর সঙ্গে অতিপ্রাকৃত কিছুর সংযোগ আছে বলে মনে করেন। কিন্তু আসলে এতে কোনো অস্বাভাবিকতা নেই। এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি মানুষের শরীরের জৈবিক ছন্দের সঙ্গে সম্পর্কিত, বিশেষ করে দিন-রাত অনুযায়ী হরমোনের ওঠানামার কারণে এটি ঘটে।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস বা এনএইচএস-এর চিকিৎসক ডা. আমির খান বলেন, “প্রায়ই রাত ৩টার দিকে ঘুম থেকে জেগে ওঠা একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। তবে জীবনযাপনের কিছু অভ্যাস মানুষের রাতে বেশি ঘুম ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি করতে পারে।”
কেন রাত ৩টায় ঘুম ভেঙে যায়?
রাত ৩টার সময় ঘুম ভেঙে যাওয়া রহস্যজনক কিছু নয় বরং শরীরে কর্টিসল হরমোনের দিন-রাতভিত্তিক ওঠানামার ফল হিসেবে দেখা হয়।
আমেরিকার ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের বলছে, কর্টিসল একটি স্টেরয়েড হরমোন, যা আমাদের অ্যাড্রিনাল গ্ল্যান্ড থেকে নিঃসরিত হয়। এই হরমোন স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিককে প্রভাবিত করে এবং শরীরের মানসিক চাপের প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কর্টিসলের মাত্রা বেশি বা কম হলে তা স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
ডা. আমির বলেন, “হরমোনের দিন-রাতভিত্তিক ওঠানামাকে আমরা ‘ডিউরনাল ভেরিয়েশন’ বলি। সকালে ও দিনের বেলায় এর মাত্রা বেশি থাকে, আর রাতে ধীরে ধীরে কমে যায়। সহজভাবে বললে, সকালে কর্টিসল বেড়ে যায় বলে আপনি বেশি সজাগ থাকেন, আর রাতে এটি কমে যায় বলে শরীর শিথিল হয় এবং ঘুম আসে।”

কর্টিসলের ওঠানামার স্বাভাবিক চক্রটি ‘এব অ্যান্ড ফ্লো’ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এই স্বাভাবিক চক্রে কোনো ব্যাঘাত ঘটলে ঘুমের মান নষ্ট হতে পারে এবং মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
বিঘ্ন কেন ঘটে?
ডা. আমির খান বলেন, “যদি আপনি সবসময় মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন, তাহলে কর্টিসল হরমোনের স্বাভাবিকভাবে রাতে যে কমে যাওয়ার কথা, তা কমে না। এই কমে যাওয়া ঘুমের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তা না হলে ঘুম আসতে কষ্ট হয়।”
কর্টিসল সাধারণভাবে ভোর ৩ থেকে ৪টার দিকে আবার কিছুটা বাড়তে শুরু করে, যা স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। কিন্তু যদি আগে থেকেই আপনার শরীরে কর্টিসলের মাত্রা বেশি থাকে, তাহলে এই স্বাভাবিক বৃদ্ধিটাও অতিরিক্ত হয়ে যায়। ফলে শরীর অনেক আগেই ‘জেগে ওঠার’ সংকেত পেয়ে যায়।
সহজভাবে বললে, যখন আপনি স্ট্রেসে থাকেন, তখন আপনার শরীরে কর্টিসলের মাত্রা বেশি থাকে। রাতে এটি কমার বদলে অতিমাত্রায় থাকে, ফলে আপনি আরাম করে ঘুমাতে পারেন না।
স্ট্রেস থাকলে রাতে কর্টিসলের বৃদ্ধি আরও বেশি হয়, যা হঠাৎ করে ঘুম ভেঙে যাওয়ার কারণ হতে পারে। এরপর বাকিটা রাত জেগে বা আধো ঘুমে কাটাতে হতে পারে।
ডা. আমির খান বলেন, “রাত ৩টার দিকে ঘুম ভাঙা খুব সাধারণ একটি বিষয়। এতে কোনো রহস্য বা ‘ভৌতিক’ কিছু নেই। এর মাধ্যমে শরীর আসলে জানিয়ে দেয় যে দৈনন্দিন জীবনে মানসিক চাপ কতটা সাধারণ হয়ে উঠেছে।”
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

উইরাইড ও কিটার গল্প একই সুতোয় বাঁধা। উইরাইড চীনে এখনো নগদ খরচ করে যাচ্ছে। তারপরেও মধ্যপ্রাচ্যে পরিচালনাগত মুনাফা অর্জন করেছে। কিটা মেইতুয়ানের দেশীয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পরিমার্জিত অপারেশনাল অবকাঠামো ও ডেলিভারি লজিস্টিক্স মোতায়েন করে মাত্র কয়েক মাসে সৌদি বাজারের উল্লেখযোগ্য অংশ দখল করেছে।