চরচা ডেস্ক

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বারে (নৈশক্লাব) অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া গুরুতর দগ্ধ ও আহত অবস্থায় আরও ২২ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে ব্যাংককের চাতুচাক এলাকার ‘রং বিয়ার না লাত ফ্রাও’ নামের ওই বারে আগুন লাগে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান প্রধানমন্ত্রী।
অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন, ‘‘আমরা এ পর্যন্ত ২৭টি মরদেহ উদ্ধার করেছি। বাকিদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’’ বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, আগুন লাগার পর পুরো বারটি দ্রুত ধোঁয়ায় অন্ধ হয়ে যায়। কোনো জরুরি বহির্গমন পথ না থাকায় নিরুপায় হয়ে অনেকেই পেছনের দিকে বাথরুমের কাছে আশ্রয় নেন।

ব্যাংকক মেট্রোপলিটন প্রশাসনের দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন বিভাগের পরিচালক সুরিয়াচাই রাউইওয়ান রয়টার্সকে বলেন, ‘‘মৃত্যুর সংখ্যা ২৭ জনেই স্থিতিশীল রয়েছে।’’ তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় আহত আরও ৬৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে, ব্যাংককের গভর্নর চাডচার্ট সিট্টিপুন্ট সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে ২২ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে উদ্ধারকর্মীরা জানান, বারটির স্টেজের সামনের অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং মুহূর্তেই তা পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যখন পৌঁছান, ততক্ষণে পুরো বারটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
সুরিয়াচাই রাউইওয়ান বলেন, ‘‘আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে আমাদের পুলিশের তদন্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’’
বারে পারফর্ম করা এক ব্যান্ড সদস্য ব্যান্ডেজ জড়ানো অবস্থায় সাংবাদিকদের বলেন, হঠাৎ লাইট নিভে যাওয়ার পর পুরো রুম ধোঁয়ায় ভরে যায়। এরপরই একটা বিকট বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ধরে যায়।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বারে (নৈশক্লাব) অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া গুরুতর দগ্ধ ও আহত অবস্থায় আরও ২২ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে ব্যাংককের চাতুচাক এলাকার ‘রং বিয়ার না লাত ফ্রাও’ নামের ওই বারে আগুন লাগে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান প্রধানমন্ত্রী।
অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন, ‘‘আমরা এ পর্যন্ত ২৭টি মরদেহ উদ্ধার করেছি। বাকিদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’’ বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, আগুন লাগার পর পুরো বারটি দ্রুত ধোঁয়ায় অন্ধ হয়ে যায়। কোনো জরুরি বহির্গমন পথ না থাকায় নিরুপায় হয়ে অনেকেই পেছনের দিকে বাথরুমের কাছে আশ্রয় নেন।

ব্যাংকক মেট্রোপলিটন প্রশাসনের দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন বিভাগের পরিচালক সুরিয়াচাই রাউইওয়ান রয়টার্সকে বলেন, ‘‘মৃত্যুর সংখ্যা ২৭ জনেই স্থিতিশীল রয়েছে।’’ তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় আহত আরও ৬৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে, ব্যাংককের গভর্নর চাডচার্ট সিট্টিপুন্ট সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে ২২ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে উদ্ধারকর্মীরা জানান, বারটির স্টেজের সামনের অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং মুহূর্তেই তা পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যখন পৌঁছান, ততক্ষণে পুরো বারটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
সুরিয়াচাই রাউইওয়ান বলেন, ‘‘আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে আমাদের পুলিশের তদন্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’’
বারে পারফর্ম করা এক ব্যান্ড সদস্য ব্যান্ডেজ জড়ানো অবস্থায় সাংবাদিকদের বলেন, হঠাৎ লাইট নিভে যাওয়ার পর পুরো রুম ধোঁয়ায় ভরে যায়। এরপরই একটা বিকট বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ধরে যায়।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনে পানি পড়ার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ভবনের যতগুলো জায়গা থেকে পানি পড়ার সমস্যা রয়েছে, তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।