চরচা ডেস্ক

কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের পক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আটক হওয়া তিন সন্তানের জননী তাহমিনা আক্তারকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ডিবি পুলিশের তদন্তে তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের প্রমাণ না পাওয়ায় এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটি ডিবি পুলিশের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে তহমিনাকে মুক্তির নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই ওবায়দুর রহমান।
ডিবি পুলিশের ঢাকা জেলার (দক্ষিণ) এসআই আব্দুল মুক্তালিব আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, তাহমিনা আক্তার ঢাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন এবং তার স্বামী প্রবাসে রয়েছেন। পারিবারিকভাবে তিনি অনেকটাই বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিলেন।
গত ২৬ মার্চ অজ্ঞাত পরিচয়ের কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ভুল বুঝিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের উদ্দেশ্যে স্মৃতিসৌধে নিয়ে যায়। সেখানে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে বলা হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকায় তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নন এবং রাষ্ট্রবিরোধী বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততারও কোনো প্রমাণ মেলেনি।
গত বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্মৃতিসৌধের ফোয়ারার সামনে থেকে তহমিনাকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তার সঙ্গে তিন সন্তানও ছিল। পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং দুই দফা জামিন আবেদন নাকচ হয়।
পরে ডিবির সুপারিশে আদালত তাকে অব্যাহতি দিয়ে মুক্তির আদেশ দেন। তার আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম জানান, সব প্রক্রিয়া শেষে আগামিকাল বৃহস্পতিবার তিনি কারামুক্ত হতে পারেন।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের পক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আটক হওয়া তিন সন্তানের জননী তাহমিনা আক্তারকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ডিবি পুলিশের তদন্তে তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের প্রমাণ না পাওয়ায় এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটি ডিবি পুলিশের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে তহমিনাকে মুক্তির নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই ওবায়দুর রহমান।
ডিবি পুলিশের ঢাকা জেলার (দক্ষিণ) এসআই আব্দুল মুক্তালিব আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, তাহমিনা আক্তার ঢাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন এবং তার স্বামী প্রবাসে রয়েছেন। পারিবারিকভাবে তিনি অনেকটাই বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিলেন।
গত ২৬ মার্চ অজ্ঞাত পরিচয়ের কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ভুল বুঝিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের উদ্দেশ্যে স্মৃতিসৌধে নিয়ে যায়। সেখানে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে বলা হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকায় তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নন এবং রাষ্ট্রবিরোধী বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততারও কোনো প্রমাণ মেলেনি।
গত বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্মৃতিসৌধের ফোয়ারার সামনে থেকে তহমিনাকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তার সঙ্গে তিন সন্তানও ছিল। পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং দুই দফা জামিন আবেদন নাকচ হয়।
পরে ডিবির সুপারিশে আদালত তাকে অব্যাহতি দিয়ে মুক্তির আদেশ দেন। তার আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম জানান, সব প্রক্রিয়া শেষে আগামিকাল বৃহস্পতিবার তিনি কারামুক্ত হতে পারেন।

বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চট্টগ্রামে কিছু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়। কিছু ব্যবসায়ীর বাসভবনে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গুলিবর্ষণ এবং চাঁদা আদায়ের মতো ঘটনা ঘটার পর সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেয়।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা শতভাগ অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। আজ রোববার কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নগর পরিচ্ছন্নতা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম নিয়ে রাজধানীর