চরচা ডেস্ক

রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে ফর্মে থাকলেও বিশ্বকাপে আগে ভিন্ন কারণে সমালোচনার মুখে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে বিশ্ব মঞ্চে তিনি বরাবরই হাজির হন সেরা ছন্দেই। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোলে ফ্রান্সকে জেতানোর পাশাপাশি গড়েছেন ব্যক্তিগত একটি রেকর্ড। অধিনায়ককে নিয়ে তাই বাড়তি উচ্ছ্বাস কোচ দিদিয়ের দেশমের।
নিউ জার্সিতে ‘আই’ গ্রুপের ম্যাচে প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ ছিল ফ্রান্স। একই চিত্র ছিল এমবাপ্পের। একবারের বিশ্বকাপ জয়ী এই তারকা প্রথম ৪৫ মিনিটে নিজের ছায়া হয়েই ছিলেন। তবে বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ান তিনি, আর তাতেই সেনেগালের বিপক্ষে ফ্রান্স পায় ৩-১ গোলের জয়।
ম্যাচের পর এমবাপ্পের প্রশংসায় দেশম বলেন, “লোকেরা এখনো তার সমালোচনা করবে, আমি সত্যিই জানি না কেন। কিন্তু আমি সবসময় বলে এসেছি, সে একজন আইকনিক খেলোয়াড়। একটি মুহূর্তেই সে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখে এবং দলকে জয়ের পথে নিয়ে যেতে পারে।”
আগের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোল করে এমবাপ্পে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট। এবার আসর শুরু করেন ৬৬তম মিনিটে অবিশ্বাস্য এক গোলে। বক্সের বেশ বাইরে বল পেয়ে দূরপাল্লার শটে বোকা বানান গোলকিপারকে। এরপর ইনজুরি টাইমে করেন দ্বিতীয় গোল। এর মধ্য দিয়ে ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলের মালিক বনে গেছেন ১৮ বছর বয়সী এমবাপ্পে। আর বিশ্বকাপে মাত্র ১৫ ম্যাচেই গোলসংখ্যা নিয়ে গেছেন ১৪-তে।
এমবাপ্পের কাছে তাই বাড়তি চাওয়া নেই কোচের, “আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, সে এখানে রক্ষণ সামলানোর দায়িত্ব নেওয়ার জন্য দলে আছে। সে যদি আজকের মত প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ থাকে আর দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল করে, তাতে আমার কোনো সমস্যা নেই।”
এই ম্যাচে জয় দিয়ে ২০০২ সালের একটি দুঃসহ স্মৃতিও মুছে দিতে পেরেছে ফ্রান্সের। সেবার শিরোপাধারী দল হিসেবে বিশ্বকাপে খেলতে নেমে প্রথম ম্যাচেই সেনেগালের কাছে হেরে যায় তারা। এরপর গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।
তবে এমবাপ্পের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে এবার সেনেগালকে হারিয়ে ইতিবাচক শুরু করেছে ফ্রান্স। গ্রুপ পর্বে দেশমের দলের অন্য দুই প্রতিপক্ষ ইরাক ও নরওয়ে।

রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে ফর্মে থাকলেও বিশ্বকাপে আগে ভিন্ন কারণে সমালোচনার মুখে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে বিশ্ব মঞ্চে তিনি বরাবরই হাজির হন সেরা ছন্দেই। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোলে ফ্রান্সকে জেতানোর পাশাপাশি গড়েছেন ব্যক্তিগত একটি রেকর্ড। অধিনায়ককে নিয়ে তাই বাড়তি উচ্ছ্বাস কোচ দিদিয়ের দেশমের।
নিউ জার্সিতে ‘আই’ গ্রুপের ম্যাচে প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ ছিল ফ্রান্স। একই চিত্র ছিল এমবাপ্পের। একবারের বিশ্বকাপ জয়ী এই তারকা প্রথম ৪৫ মিনিটে নিজের ছায়া হয়েই ছিলেন। তবে বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ান তিনি, আর তাতেই সেনেগালের বিপক্ষে ফ্রান্স পায় ৩-১ গোলের জয়।
ম্যাচের পর এমবাপ্পের প্রশংসায় দেশম বলেন, “লোকেরা এখনো তার সমালোচনা করবে, আমি সত্যিই জানি না কেন। কিন্তু আমি সবসময় বলে এসেছি, সে একজন আইকনিক খেলোয়াড়। একটি মুহূর্তেই সে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখে এবং দলকে জয়ের পথে নিয়ে যেতে পারে।”
আগের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোল করে এমবাপ্পে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট। এবার আসর শুরু করেন ৬৬তম মিনিটে অবিশ্বাস্য এক গোলে। বক্সের বেশ বাইরে বল পেয়ে দূরপাল্লার শটে বোকা বানান গোলকিপারকে। এরপর ইনজুরি টাইমে করেন দ্বিতীয় গোল। এর মধ্য দিয়ে ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলের মালিক বনে গেছেন ১৮ বছর বয়সী এমবাপ্পে। আর বিশ্বকাপে মাত্র ১৫ ম্যাচেই গোলসংখ্যা নিয়ে গেছেন ১৪-তে।
এমবাপ্পের কাছে তাই বাড়তি চাওয়া নেই কোচের, “আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, সে এখানে রক্ষণ সামলানোর দায়িত্ব নেওয়ার জন্য দলে আছে। সে যদি আজকের মত প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ থাকে আর দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল করে, তাতে আমার কোনো সমস্যা নেই।”
এই ম্যাচে জয় দিয়ে ২০০২ সালের একটি দুঃসহ স্মৃতিও মুছে দিতে পেরেছে ফ্রান্সের। সেবার শিরোপাধারী দল হিসেবে বিশ্বকাপে খেলতে নেমে প্রথম ম্যাচেই সেনেগালের কাছে হেরে যায় তারা। এরপর গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।
তবে এমবাপ্পের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে এবার সেনেগালকে হারিয়ে ইতিবাচক শুরু করেছে ফ্রান্স। গ্রুপ পর্বে দেশমের দলের অন্য দুই প্রতিপক্ষ ইরাক ও নরওয়ে।

রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে ফর্মে থাকলেও বিশ্বকাপে আগে ভিন্ন কারণে সমালোচনার মুখে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে বিশ্ব মঞ্চে তিনি বরাবরই হাজির হন সেরা ছন্দেই। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোলে ফ্রান্সকে জেতানোর পাশাপাশি গড়েছেন ব্যক্তিগত একটি রেকর্ড। অধিনায়ককে নিয়ে তাই বাড়তি উচ্ছ্বাস কোচ দিদিয়ের দেশমের।