চরচা প্রতিবেদক

গ্যারেথ বেলদের সাবেক কোচ ক্রিস কোলম্যান বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হিসেবে আসতে পারেন-এমন সম্ভাবনায় নড়েচড়ে বসেছিলেন বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা। বাফুফের কোচ নিয়োগ কমিটির সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন তিনি। বাফুফেও নাকি কোলম্যানকে নিয়ে ভাবছিল। কিন্তু সভাপতি তাবিথ আউয়াল জানিয়েছেন, কোলম্যানকে কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া থেকে সরে এসেছে ফেডারেশন।
শোনা যাচ্ছিল, কোলম্যান নাকি বাংলাদেশের কোচ হতে কিছু শর্ত দিয়েছিলেন। তিনি নিজের পছন্দের কোচিং স্টাফ নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিলেন। কোচিং স্টাফের ব্যাপারটি বাফুফেকে ভাবিয়ে তুলেছিল। বিশেষ করে কোলম্যানের পছন্দের কোচিং স্টাফের বেতন–ভাতা নিয়ে বাফুফের খরচ বেড়ে যাচ্ছিল অনেক।
তবুও যুব ও ক্রীড়াপ্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের আশ্বাসে এই শর্তও মেনে নেওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বাঁধ সেধেছেন কোলম্যানের এজেন্ট। তিনি এজেন্ট ফি হিসেবে প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দাবি করে বসেন। বাফুফে এ দাবি মানতে চাচ্ছে না। এজেন্ট ফি দিয়ে কোনো কোচকে নিয়োগ করা হবে না বলেই জানিয়েছেন বাফুফে সভাপতি।
তাবিথ আউয়ালের কথা, “১৫ মে'র মধ্যেই আমরা কোচ চূড়ান্ত করেছিলাম। যখন চুক্তির দিকে এগিয়ে ছিলাম তখন এজেন্টের ফি'র বিষয়টি আসে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এজেন্টের ফি দিয়ে চুক্তি করতে আগ্রহী নয়। এজেন্টের ফি ছাড়া তারাও চুক্তিতে রাজি নয়। ফলে সেটা সেখানেই থেমে যায় এবং আমরা নতুন করে আরেকজনের সঙ্গে কাজ করছি। সেটা আজ-কালের মধ্যে আপনারা জানতে পারবেন।”
বাফুফে সভাপতি অবশ্য জানিয়েছেন, ২৪ মে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন বিদেশি কোচ যোগ দেবেন। তবে তিনি কে, কোন দেশের সে ব্যাপারে কিছু বলেননি তিনি। সভাপতি বলছেন, “আপনাদের এটা নিশ্চয়তা দিতে পারি, নতুন বিদেশি কোচের অধীনে বাংলাদেশ সান মারিনোতে খেলবে এবং সেই কোচ ২৪ মে শুরু থেকেই থাকবে।”
কোলম্যান না হলে কে হবেন বাংলাদেশ দলের কোচ। কোলম্যানের সঙ্গেই আরেক ‘হাইপ্রোফাইল’ কোচ জার্মানির বের্নার্ড স্টর্কও বাফুফের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন। আছেন গায়ানা জাতীয় দলের সাবেক কোচ, যুক্তরাষ্ট্রের টমাস ডুলি। আছেন আরেকজন জার্মান কোচ, এক স্প্যানিশ ও আর্জেন্টাইন কোচ।

গ্যারেথ বেলদের সাবেক কোচ ক্রিস কোলম্যান বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হিসেবে আসতে পারেন-এমন সম্ভাবনায় নড়েচড়ে বসেছিলেন বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা। বাফুফের কোচ নিয়োগ কমিটির সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন তিনি। বাফুফেও নাকি কোলম্যানকে নিয়ে ভাবছিল। কিন্তু সভাপতি তাবিথ আউয়াল জানিয়েছেন, কোলম্যানকে কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া থেকে সরে এসেছে ফেডারেশন।
শোনা যাচ্ছিল, কোলম্যান নাকি বাংলাদেশের কোচ হতে কিছু শর্ত দিয়েছিলেন। তিনি নিজের পছন্দের কোচিং স্টাফ নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিলেন। কোচিং স্টাফের ব্যাপারটি বাফুফেকে ভাবিয়ে তুলেছিল। বিশেষ করে কোলম্যানের পছন্দের কোচিং স্টাফের বেতন–ভাতা নিয়ে বাফুফের খরচ বেড়ে যাচ্ছিল অনেক।
তবুও যুব ও ক্রীড়াপ্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের আশ্বাসে এই শর্তও মেনে নেওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বাঁধ সেধেছেন কোলম্যানের এজেন্ট। তিনি এজেন্ট ফি হিসেবে প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দাবি করে বসেন। বাফুফে এ দাবি মানতে চাচ্ছে না। এজেন্ট ফি দিয়ে কোনো কোচকে নিয়োগ করা হবে না বলেই জানিয়েছেন বাফুফে সভাপতি।
তাবিথ আউয়ালের কথা, “১৫ মে'র মধ্যেই আমরা কোচ চূড়ান্ত করেছিলাম। যখন চুক্তির দিকে এগিয়ে ছিলাম তখন এজেন্টের ফি'র বিষয়টি আসে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এজেন্টের ফি দিয়ে চুক্তি করতে আগ্রহী নয়। এজেন্টের ফি ছাড়া তারাও চুক্তিতে রাজি নয়। ফলে সেটা সেখানেই থেমে যায় এবং আমরা নতুন করে আরেকজনের সঙ্গে কাজ করছি। সেটা আজ-কালের মধ্যে আপনারা জানতে পারবেন।”
বাফুফে সভাপতি অবশ্য জানিয়েছেন, ২৪ মে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন বিদেশি কোচ যোগ দেবেন। তবে তিনি কে, কোন দেশের সে ব্যাপারে কিছু বলেননি তিনি। সভাপতি বলছেন, “আপনাদের এটা নিশ্চয়তা দিতে পারি, নতুন বিদেশি কোচের অধীনে বাংলাদেশ সান মারিনোতে খেলবে এবং সেই কোচ ২৪ মে শুরু থেকেই থাকবে।”
কোলম্যান না হলে কে হবেন বাংলাদেশ দলের কোচ। কোলম্যানের সঙ্গেই আরেক ‘হাইপ্রোফাইল’ কোচ জার্মানির বের্নার্ড স্টর্কও বাফুফের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন। আছেন গায়ানা জাতীয় দলের সাবেক কোচ, যুক্তরাষ্ট্রের টমাস ডুলি। আছেন আরেকজন জার্মান কোচ, এক স্প্যানিশ ও আর্জেন্টাইন কোচ।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনে পানি পড়ার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ভবনের যতগুলো জায়গা থেকে পানি পড়ার সমস্যা রয়েছে, তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।