চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ও বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ পাস না হওয়ায় দেশের বিশিষ্ট নাগরিক সমাজের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে ৩১ জন বিশিষ্ট নাগরিক যৌথ বিবৃতি দিয়ে উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অপরিবর্তিতভাবে পাসের সুপারিশ করা হলেও, মানবাধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং নাগরিক অধিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অধ্যাদেশ রহিত করা হয়েছে।
বিশেষ করে ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ) বিল, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (রহিতকরণ) বিল পাস হওয়ায় নাগরিকদের প্রত্যাশাকে উপেক্ষা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
বিবৃতিদাতারা বলেন, এসব অধ্যাদেশ পাস না হওয়ায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং অধস্তন আদালত পুনরায় প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক প্রভাবের মধ্যে চলে যেতে পারে।
তারা আরও বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আন্তর্জাতিক মানে কার্যকর করার যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা এখন ধাক্কা খেল। এর ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার মানুষ যথাযথ প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
একই সঙ্গে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ এবং তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্রুত আইনে রূপান্তরের দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক কনভেনশনে অনুস্বাক্ষর করেছে, তাই এ বিষয়ে আইন প্রণয়ন সরকারের বাধ্যবাধকতা।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ, মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল, ড. ইফতেখারুজ্জামান, রাশেদা কে. চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্নাসহ দেশের বিভিন্ন খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, গবেষক ও মানবাধিকার কর্মীরা।

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ও বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ পাস না হওয়ায় দেশের বিশিষ্ট নাগরিক সমাজের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে ৩১ জন বিশিষ্ট নাগরিক যৌথ বিবৃতি দিয়ে উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অপরিবর্তিতভাবে পাসের সুপারিশ করা হলেও, মানবাধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং নাগরিক অধিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অধ্যাদেশ রহিত করা হয়েছে।
বিশেষ করে ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ) বিল, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (রহিতকরণ) বিল পাস হওয়ায় নাগরিকদের প্রত্যাশাকে উপেক্ষা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
বিবৃতিদাতারা বলেন, এসব অধ্যাদেশ পাস না হওয়ায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং অধস্তন আদালত পুনরায় প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক প্রভাবের মধ্যে চলে যেতে পারে।
তারা আরও বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আন্তর্জাতিক মানে কার্যকর করার যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা এখন ধাক্কা খেল। এর ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার মানুষ যথাযথ প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
একই সঙ্গে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ এবং তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্রুত আইনে রূপান্তরের দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক কনভেনশনে অনুস্বাক্ষর করেছে, তাই এ বিষয়ে আইন প্রণয়ন সরকারের বাধ্যবাধকতা।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ, মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল, ড. ইফতেখারুজ্জামান, রাশেদা কে. চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্নাসহ দেশের বিভিন্ন খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, গবেষক ও মানবাধিকার কর্মীরা।

বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চট্টগ্রামে কিছু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়। কিছু ব্যবসায়ীর বাসভবনে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গুলিবর্ষণ এবং চাঁদা আদায়ের মতো ঘটনা ঘটার পর সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেয়।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা শতভাগ অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। আজ রোববার কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নগর পরিচ্ছন্নতা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম নিয়ে রাজধানীর