দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উপকূল ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীতে গত তিন দিন ধরে থেমে থেমে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
টানা বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। বৃষ্টির কারণে স্বাভাবিক জনজীবন ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডেও কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তাল রয়েছে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর। সমুদ্রের বড় বড় ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে। উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
এ কারণে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরসহ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখি আজ মঙ্গলবার দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মাহবুবা সুখি বলেন, “মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।”
মাহবুবা সুখি আরও বলেন, “ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামসহ দেশের ১৩টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।”
পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিসের এই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে সমুদ্র ও নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।