চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের ফয়’স লেক এলাকার আবাসিক হোটেল থেকে এক নারী ও পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত দুজন রোববার রাতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে নগরীর আকবর শাহ থানাধীন ফয়’স লেক এলাকায় চিড়িয়াখানার কাছে রয়েল পার্ক নামের হোটেলটিতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়েছিলেন।
নিহতরা হলেন, মোহাম্মদ রিপন (৪৭) ও সোনিয়া (৩০)। তাদের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া হলেও নগরীর ঢেবার পাড় এলাকায় থাকতেন তারা।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (পশ্চিম) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, নিহতরা স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে রোববার রাতে আবাসিক হোটেলটিতে উঠেছিলেন। সোমবার সকালে হোটেল কর্তৃপক্ষ ওই কক্ষে গিয়ে তাদের পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। তিনি আরও বলেন, “রিপন ও সোনিয়া স্বামী-স্ত্রী হলেও সম্প্রতি তাদের ছাড়াছাড়ি হয়েছে বলে স্বজনদের কাছ থেকে জেনেছি।”
পুলিশ জানিয়েছে, নগরীর আসকার দীঘির পাড় এলাকায় রিপনের একটি দোকান রয়েছে এবং সোনিয়া ঢেবাড় পাড় এলাকায় বাসাবাড়িতে কাজ করতেন।
আকবর শাহ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজাদ হোসাইন চরচাকে বলেন, সোনিয়ার সঙ্গে রিপনের ছাড়াছাড়ি হলেও মামলা চলছিল। সোনিয়া হোটেলের ওই কক্ষে সিলিংয়ের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল এবং রিপনের লাশ মাটিতে পড়ে ছিল।
এই কর্মকর্তা জানান, উভয়পক্ষের স্বজনদের ঘটনাস্থলে আসতে বলা হয়েছে এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখো হচ্ছে।

চট্টগ্রামের ফয়’স লেক এলাকার আবাসিক হোটেল থেকে এক নারী ও পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত দুজন রোববার রাতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে নগরীর আকবর শাহ থানাধীন ফয়’স লেক এলাকায় চিড়িয়াখানার কাছে রয়েল পার্ক নামের হোটেলটিতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়েছিলেন।
নিহতরা হলেন, মোহাম্মদ রিপন (৪৭) ও সোনিয়া (৩০)। তাদের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া হলেও নগরীর ঢেবার পাড় এলাকায় থাকতেন তারা।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (পশ্চিম) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, নিহতরা স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে রোববার রাতে আবাসিক হোটেলটিতে উঠেছিলেন। সোমবার সকালে হোটেল কর্তৃপক্ষ ওই কক্ষে গিয়ে তাদের পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। তিনি আরও বলেন, “রিপন ও সোনিয়া স্বামী-স্ত্রী হলেও সম্প্রতি তাদের ছাড়াছাড়ি হয়েছে বলে স্বজনদের কাছ থেকে জেনেছি।”
পুলিশ জানিয়েছে, নগরীর আসকার দীঘির পাড় এলাকায় রিপনের একটি দোকান রয়েছে এবং সোনিয়া ঢেবাড় পাড় এলাকায় বাসাবাড়িতে কাজ করতেন।
আকবর শাহ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজাদ হোসাইন চরচাকে বলেন, সোনিয়ার সঙ্গে রিপনের ছাড়াছাড়ি হলেও মামলা চলছিল। সোনিয়া হোটেলের ওই কক্ষে সিলিংয়ের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল এবং রিপনের লাশ মাটিতে পড়ে ছিল।
এই কর্মকর্তা জানান, উভয়পক্ষের স্বজনদের ঘটনাস্থলে আসতে বলা হয়েছে এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখো হচ্ছে।

আব্দুস সালাম বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত মানবিক। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, রিকশা, ভ্যান ও অটোরিকশা চালিয়ে যারা জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদের উচ্ছেদ করা যাবে না। তাদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই শৃঙ্খলাপূর্ণ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে।”

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন আদালত।