সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশি এলাকায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাব হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত আরও আট আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। খবর ইউএনবির।
আজ সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামান।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে র্যাব-১০ মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা থেকে চারজনকে এবং র্যাব-৪ সাভারের আমিনবাজার এলাকা থেকে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন–আলাউদ্দিন, আপন, জিহাদ, ইমরান, নূর মোহাম্মদ রুদ্র, রাকিব মিয়া, সাব্বির আহমেদ ও মো. ওয়াসিম।
এর আগে এ মামলার প্রধান আসামি জহিরুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত।
শনিবার রাত ৮টার দিকে সাভারের আমিনবাজার বড়দেশি এলাকায় প্রাইভেট কার রাখা নিয়ে বিরোধে এসআই আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
নিহত আলতাব সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার সাধুপাড়া গ্রামের মৃত জুরাইন আলী শেখের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে সাভারের আমিনবাজার বড়দেশি মদিনা সিটি এলাকায় থাকতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, সাভারের আমিনবাজার বড়দেশি মদিনা হাউজিং এলাকায় একটি গেঞ্জি ফ্যাক্টরির সামনে প্রাইভেট কার রাখাকে কেন্দ্র করে ১০ থেকে ১৫ জনের হামলার শিকার হন আলতাব ও তার ছোট ছেলে আরিফুল। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক আলতাবকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন সাংবাদিকদের জানান, প্রাইভেট কার রাখার মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজ বাসার কাছেই হামলার শিকার হন পুলিশের ওই এসআই।
পরে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী শিউলি বেগম বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।