চরচা ডেস্ক

যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে তাদের নিরাপদে সরাতে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংঘাতের বাইরে থাকা দেশগুলোর জাহাজ নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার এ উদ্যোগের নাম তিনি দিয়েছেন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সময় অনুযায়ী আজ সোমবার সকালে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হওয়ার কথা।
এ পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধের দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এতে যোগ দেবে ১৫ হাজার সেনা। থাকবে ক্ষেপণাস্ত্র–বিধ্বংসী ডেস্ট্রয়ার ও শতাধিক যুদ্ধবিমান।
সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, “হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ৪ মে থেকে প্রজেক্ট ফ্রিডমে সহায়তা দেওয়া শুরু করবে।”
ট্রাম্পের মতে, জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি থেকে বেরিয়ে যেতে সহায়তা করা একটি ‘মানবিক পদক্ষেপ’। এটি যুক্তরাষ্ট্র আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি ইরানের পক্ষ থেকেও একটি সদয় আচরণ। কারণ, সেখানে অনেক জাহাজে খাদ্যসংকট দেখা দিচ্ছে।
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ কাজে কেউ বাধা দিলে তাকে ‘কঠোরভাবে মোকাবিলা’ করা হবে।
অন্যদিকে, ইরানের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে সতর্ক করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করতে চাইলে তারা মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা করবে।
বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, “আমরা সতর্ক করছি, যেকোনো বিদেশি সামরিক বাহিনী, বিশেষ করে আগ্রাসী মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালির দিকে এগিয়ে আসার কিংবা প্রবেশের চেষ্টা করলে; তাদের ওপর হামলা করা হবে।”
অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক হরমুজ প্রণালি অবরোধ নিয়ে ট্রাম্পের নৌ-অভিযানকে ‘লোক দেখানো’ প্রচেষ্টা বলছে।
এ নিয়ে দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল-জাজিরাকে বলেন, “ট্রাম্প ইরানীয়দের হাত থেকে দরকষাকষির শক্তি কেড়ে নেওয়ার জন্যও এটি করছেন।”
এলমাসরির মতে, ইরান সরকার বিষয়টিকে একটি অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে দেখছে যার জন্য তাদের একটি বড় বিজয় প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে তারা সম্ভবত তাদের হাতে থাকা প্রতিটি অস্ত্র বা কৌশল ব্যবহার করবে।

যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে তাদের নিরাপদে সরাতে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংঘাতের বাইরে থাকা দেশগুলোর জাহাজ নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার এ উদ্যোগের নাম তিনি দিয়েছেন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সময় অনুযায়ী আজ সোমবার সকালে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হওয়ার কথা।
এ পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধের দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এতে যোগ দেবে ১৫ হাজার সেনা। থাকবে ক্ষেপণাস্ত্র–বিধ্বংসী ডেস্ট্রয়ার ও শতাধিক যুদ্ধবিমান।
সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, “হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ৪ মে থেকে প্রজেক্ট ফ্রিডমে সহায়তা দেওয়া শুরু করবে।”
ট্রাম্পের মতে, জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি থেকে বেরিয়ে যেতে সহায়তা করা একটি ‘মানবিক পদক্ষেপ’। এটি যুক্তরাষ্ট্র আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি ইরানের পক্ষ থেকেও একটি সদয় আচরণ। কারণ, সেখানে অনেক জাহাজে খাদ্যসংকট দেখা দিচ্ছে।
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ কাজে কেউ বাধা দিলে তাকে ‘কঠোরভাবে মোকাবিলা’ করা হবে।
অন্যদিকে, ইরানের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে সতর্ক করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করতে চাইলে তারা মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা করবে।
বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, “আমরা সতর্ক করছি, যেকোনো বিদেশি সামরিক বাহিনী, বিশেষ করে আগ্রাসী মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালির দিকে এগিয়ে আসার কিংবা প্রবেশের চেষ্টা করলে; তাদের ওপর হামলা করা হবে।”
অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক হরমুজ প্রণালি অবরোধ নিয়ে ট্রাম্পের নৌ-অভিযানকে ‘লোক দেখানো’ প্রচেষ্টা বলছে।
এ নিয়ে দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল-জাজিরাকে বলেন, “ট্রাম্প ইরানীয়দের হাত থেকে দরকষাকষির শক্তি কেড়ে নেওয়ার জন্যও এটি করছেন।”
এলমাসরির মতে, ইরান সরকার বিষয়টিকে একটি অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে দেখছে যার জন্য তাদের একটি বড় বিজয় প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে তারা সম্ভবত তাদের হাতে থাকা প্রতিটি অস্ত্র বা কৌশল ব্যবহার করবে।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনে পানি পড়ার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ভবনের যতগুলো জায়গা থেকে পানি পড়ার সমস্যা রয়েছে, তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, এক পর্যায়ে তিনি পুলিশকে বলেন যে তার স্বামী মারুফ নামে এক চালককে হত্যা করে ইজিবাইক ছিনতাই করে নিয়েছে। পরবর্তীতে মারুফের ইজিবাইক ভেঙে টুকরো টুকরো করে বিক্রি করে দেয় বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন ফাল্গুনী খাতুন।