বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা

প্রায় ৫ মাস আগে নিখোঁজ হওয়া ইজিবাইক চালক মারুফের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে খুলনার হরিণটানা রেল সেতু সংলগ্ন এক আবাসিক এলাকার একটি বাড়িতে পুঁতে রাখা লাশটি মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ এক দম্পতিকে আটক করেছে। এদিকে পুলিশ মৃতের প্রকৃত পরিচয় জানার জন্য ইজিবাইকটির মূল মালিককে নিয়ে অভিযান শুরু করেছে। আটক দম্পতি হলেন মুরাদ মোল্লা ও ফাল্গুনী খাতুন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, হরিণটানা রেলসেতু সংলগ্ন আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মুরাদ মোল্লার সাথে তার স্ত্রী ফাল্গুনী খাতুনের প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া হতো। সোমবার সকালেও ফাল্গুনী খাতুনকে মারধর করলে তিনি থানায় গিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে নালিশ করেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা আরও জানায়, এক পর্যায়ে ফাল্গুনী পুলিশকে জানান যে তার স্বামী মারুফ নামে এক চালককে হত্যা করে ইজিবাইক ছিনতাই করে নিয়েছে। পরবর্তীতে মারুফের ইজিবাইক ভেঙে টুকরো টুকরো করে বিক্রি করে দেয় বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন ফাল্গুনী খাতুন।
ঘটনা জানার পরে পুলিশ ওই এলাকায় গিয়ে মুরাদ মোল্লাকে আটক করে। পরে চালক মারুফের মরদেহ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।
হরিণটানা থানার ওসি (তদন্ত) মুরাদ হোসেন বলেন, “চালক মারুফ আসামিদের পূর্ব পরিচিত। আগের বছর রমজানের যে কোনো এক দিন রাতে ফোন করে বাসায় ডেকে নেয় মারুফকে। পরে তাকে গাড়িতে বসা অবস্থায় পেছন থেকে দড়ি বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ওই দিন রাতে বাড়ির উঠানে তাকে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। এর পর ইজিবাইকটি ভেঙে টুকরো টুকরো করে বিক্রি করে দেয় তারা।”
ইজিবাইকের একটি নম্বর প্লেট পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন মুরাদ হোসেন। তিনি আরও বলেন, “জানা গেছে ইজিবাইকটি খালিশপুর থানার ৪/১ মুজগুন্নী মেইন রোডের বাসিন্দা মোল্লা মো: মোস্তফার। চালকের প্রকৃত পরিচয় পাওয়ার জন্য তাকে নিয়ে থানা পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”

প্রায় ৫ মাস আগে নিখোঁজ হওয়া ইজিবাইক চালক মারুফের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে খুলনার হরিণটানা রেল সেতু সংলগ্ন এক আবাসিক এলাকার একটি বাড়িতে পুঁতে রাখা লাশটি মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ এক দম্পতিকে আটক করেছে। এদিকে পুলিশ মৃতের প্রকৃত পরিচয় জানার জন্য ইজিবাইকটির মূল মালিককে নিয়ে অভিযান শুরু করেছে। আটক দম্পতি হলেন মুরাদ মোল্লা ও ফাল্গুনী খাতুন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, হরিণটানা রেলসেতু সংলগ্ন আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মুরাদ মোল্লার সাথে তার স্ত্রী ফাল্গুনী খাতুনের প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া হতো। সোমবার সকালেও ফাল্গুনী খাতুনকে মারধর করলে তিনি থানায় গিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে নালিশ করেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা আরও জানায়, এক পর্যায়ে ফাল্গুনী পুলিশকে জানান যে তার স্বামী মারুফ নামে এক চালককে হত্যা করে ইজিবাইক ছিনতাই করে নিয়েছে। পরবর্তীতে মারুফের ইজিবাইক ভেঙে টুকরো টুকরো করে বিক্রি করে দেয় বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন ফাল্গুনী খাতুন।
ঘটনা জানার পরে পুলিশ ওই এলাকায় গিয়ে মুরাদ মোল্লাকে আটক করে। পরে চালক মারুফের মরদেহ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।
হরিণটানা থানার ওসি (তদন্ত) মুরাদ হোসেন বলেন, “চালক মারুফ আসামিদের পূর্ব পরিচিত। আগের বছর রমজানের যে কোনো এক দিন রাতে ফোন করে বাসায় ডেকে নেয় মারুফকে। পরে তাকে গাড়িতে বসা অবস্থায় পেছন থেকে দড়ি বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ওই দিন রাতে বাড়ির উঠানে তাকে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। এর পর ইজিবাইকটি ভেঙে টুকরো টুকরো করে বিক্রি করে দেয় তারা।”
ইজিবাইকের একটি নম্বর প্লেট পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন মুরাদ হোসেন। তিনি আরও বলেন, “জানা গেছে ইজিবাইকটি খালিশপুর থানার ৪/১ মুজগুন্নী মেইন রোডের বাসিন্দা মোল্লা মো: মোস্তফার। চালকের প্রকৃত পরিচয় পাওয়ার জন্য তাকে নিয়ে থানা পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”