চরচা ডেস্ক

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর তথ্যমতে, ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির অভ্যন্তরে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ৩২ লাখে পৌঁছেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ে প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বর্তমানে প্রায় ৬ লাখ থেকে ১০ লাখ পরিবার অস্থায়ীভাবে গৃহহীন হয়ে পড়েছে। সংস্থাটির মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক জরুরি সমন্বয়কারী আয়াকি ইতো বলেন, “সংঘাত অব্যাহত থাকায় এই সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা মানবিক চাহিদার ক্ষেত্রে একটি উদ্বেগজনক পরিণতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।”
ক্ষতিগ্রস্তদের একটি বড় অংশ রাজধানী তেহরান থেকে পালিয়ে আসা মানুষ। যুদ্ধের প্রথম দুই দিনেই প্রায় ১ লাখ মানুষ শহরটি ছেড়ে চলে যান। এই পরিস্থিতির শিকার অনেকেরই আগে থেকে শরণার্থী। এরা আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। উল্লেখ্য যে, ইরান আফগান যুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসা প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ মানুষকে আশ্রয় দিয়েছিল।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকট মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তুচ্যুতির একটি বিস্তৃত চিত্রের প্রতিফলন মাত্র।
এবারের যুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়া বেশিরভাগ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ আগে থেকেই শরণার্থী,অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত অথবা সম্প্রতি নিজ দেশে ফিরে এসেছিল; যার ফলে নতুন করে এই বাস্তুচ্যুতি প্রায় অনিবার্য হয়ে পড়েছিল।
সহায়তা সংস্থাগুলোর মতে, ইসরায়েল বোমাবর্ষণ শুরু করার পর থেকে লেবাননে নিজ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হওয়া মানুষের সংখ্যা ৮ লাখ ছাড়িয়েছে। লেবানন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ মানুষ ৪৪০টি গণ-আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
ইউএনএইচসিআর-এর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, অন্তত ৩৩ হাজার ৬০০ সিরীয় এবং প্রায় ৩ হাজার লেবানীয় নাগরিক সীমান্ত অতিক্রম করে সিরিয়ায় প্রবেশ করেছেন।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর তথ্যমতে, ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির অভ্যন্তরে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ৩২ লাখে পৌঁছেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ে প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বর্তমানে প্রায় ৬ লাখ থেকে ১০ লাখ পরিবার অস্থায়ীভাবে গৃহহীন হয়ে পড়েছে। সংস্থাটির মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক জরুরি সমন্বয়কারী আয়াকি ইতো বলেন, “সংঘাত অব্যাহত থাকায় এই সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা মানবিক চাহিদার ক্ষেত্রে একটি উদ্বেগজনক পরিণতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।”
ক্ষতিগ্রস্তদের একটি বড় অংশ রাজধানী তেহরান থেকে পালিয়ে আসা মানুষ। যুদ্ধের প্রথম দুই দিনেই প্রায় ১ লাখ মানুষ শহরটি ছেড়ে চলে যান। এই পরিস্থিতির শিকার অনেকেরই আগে থেকে শরণার্থী। এরা আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। উল্লেখ্য যে, ইরান আফগান যুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসা প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ মানুষকে আশ্রয় দিয়েছিল।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকট মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তুচ্যুতির একটি বিস্তৃত চিত্রের প্রতিফলন মাত্র।
এবারের যুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়া বেশিরভাগ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ আগে থেকেই শরণার্থী,অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত অথবা সম্প্রতি নিজ দেশে ফিরে এসেছিল; যার ফলে নতুন করে এই বাস্তুচ্যুতি প্রায় অনিবার্য হয়ে পড়েছিল।
সহায়তা সংস্থাগুলোর মতে, ইসরায়েল বোমাবর্ষণ শুরু করার পর থেকে লেবাননে নিজ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হওয়া মানুষের সংখ্যা ৮ লাখ ছাড়িয়েছে। লেবানন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ মানুষ ৪৪০টি গণ-আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
ইউএনএইচসিআর-এর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, অন্তত ৩৩ হাজার ৬০০ সিরীয় এবং প্রায় ৩ হাজার লেবানীয় নাগরিক সীমান্ত অতিক্রম করে সিরিয়ায় প্রবেশ করেছেন।

উদীচীর নেতারা আরও বলেন, জাতীয় সংগীতের সময় উঠে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানানো জাতীয় প্রতীকের প্রতি অবমাননাকর আচরণ। জাতীয় সংগীত শুধু একটি গান নয়, এটি মুক্তিযুদ্ধ, আত্মত্যাগ ও জাতিসত্তার প্রতীক। তাই এর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা সাংবিধানিকভাবেও বাধ্যতামূলক।