চরচা ডেস্ক

ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করা যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ইরানে অপারেশন এপিক ফিউরি শেষ করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করাই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য। তা অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
ইরানে নতুন কোনো সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই বলেও উল্লেখ করে করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি এবিসি নিউজকে বলেন, “(ইরান ইস্যুতে) নতুন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হোক–তা আমরা চাইছি না। আমরা শান্তির পথই পছন্দ করি। আমাদের প্রেসিডেন্ট একটি চুক্তি চান।”
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক সমাধানে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন রুবিও।
এদিকে, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ায় হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অভিযান ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
ট্রাম্প জানান, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের অনুরোধ এবং ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে ‘বড় ধরনের সামরিক সাফল্য’ অর্জন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর থাকবে। চুক্তি চূড়ান্ত করা ও স্বাক্ষর করা সম্ভব কি না, তা দেখার জন্য প্রজেক্ট ফ্রিডম স্থগিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করা যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ইরানে অপারেশন এপিক ফিউরি শেষ করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করাই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য। তা অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
ইরানে নতুন কোনো সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই বলেও উল্লেখ করে করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি এবিসি নিউজকে বলেন, “(ইরান ইস্যুতে) নতুন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হোক–তা আমরা চাইছি না। আমরা শান্তির পথই পছন্দ করি। আমাদের প্রেসিডেন্ট একটি চুক্তি চান।”
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক সমাধানে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন রুবিও।
এদিকে, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ায় হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অভিযান ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
ট্রাম্প জানান, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের অনুরোধ এবং ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে ‘বড় ধরনের সামরিক সাফল্য’ অর্জন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর থাকবে। চুক্তি চূড়ান্ত করা ও স্বাক্ষর করা সম্ভব কি না, তা দেখার জন্য প্রজেক্ট ফ্রিডম স্থগিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার দ্রুতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি জানান, প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য শিগগিরই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে।

পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা গেলে এই খাতের বিদ্যমান অনেক সমস্যার সমাধান স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, ‘‘সরকার জনগণকে অবাধ ও সঠিক তথ্য সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতে এবং অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দিতে বদ্ধপরিকর।’’