দিনাজপুরের হাকিমপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে এক নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল রবিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাদশা আলম। খবর ইউএনবির।
পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল সকালে ভুক্তভোগীর মা হাকিমপুর থানায় অভিযোগ করেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর উপজেলার পালপাড়া গ্রামের রুহুল আমিনের বাড়িতে তার মেয়ে পাওনা টাকা চাইতে যান। এ সময় রুহুল আমিন, শুকুর আলী ও ফেরদৌস হোসেন তার মেয়েকে আটক রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় আসামিরা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতিও দেখান।
পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ওই বাড়ি থেকে রুহুল আমিন ও শুকুর আলীকে আটক করেন। খবর পেয়ে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে হেফাজতে নেয়। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করা হয়।
ওসি জানান, ভুক্তভোগীর মায়ের এজাহারের ভিত্তিতে থানায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মামলার পর রুহুল আমিন ও শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর এক আসামি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।