Advertisement Banner

বাজেটের আগে তড়িঘড়ি জ্বালানির দাম বাড়ানো ধোঁকাবাজি: জামায়াত আমির

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
বাজেটের আগে তড়িঘড়ি জ্বালানির দাম বাড়ানো ধোঁকাবাজি: জামায়াত আমির
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান । ছবি: ফেসবুক

বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে তড়িঘড়ি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো এক ধরনের ধোঁকাবাজি বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী এ ধরনের জনস্বার্থবিরোধী সব পদক্ষেপের বিরুদ্ধে।

গতকাল রোববার রাতে জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়। নতুন দরে ডিজেলের মূল্য অপরিবর্তিত থাকলেও কেরোসিনের দাম ১৩০ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা, অকটেনের দাম ১৪০ টাকা থেকে ১৪৫ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৩৫ টাকা থেকে ১৪০ টাকায় উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ এই তিন ধরনের জ্বালানির দাম প্রায় ৩ দশমিক ৫ থেকে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। যা আজ সোমবার থেকেই কার্যকর হয়েছে।

এই প্রজ্ঞাপনের পর রোববার রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন ডা. শফিকুর রহমান। পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘‘আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা। কেবল গত মাসেই এক দফায় ৮ থেকে ১২ শতাংশ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে এর চেয়েও বেশি। মূল্যবৃদ্ধির হাত ধরে দ্রব্যমূল্যও বেড়ে গেছে। অথচ মানুষের আয় বাড়েনি। ক্রমাগত বেকারত্ব বেড়েই চলেছে। আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা চলছে।’’

জামায়াতের আমির আরও বলেন, ‘‘দিশেহারা জনগণ যাবে কোথায়, করবে কী, বাঁচবে কীভাবে? অথচ সরকার আশ্বস্ত করেছিল, অন্তত এই মাসে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হবে না। যদি এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, নিঃসন্দেহে এটি হবে জনস্বার্থবিরোধী। আমরা এ ধরনের জনস্বার্থবিরোধী সব পদক্ষেপের বিরুদ্ধে। অথচ এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে তড়িঘড়ি করে যদি জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে এটি হবে এক ধরনের ধোঁকাবাজি।’’

‘‘প্রিয় দেশবাসী, আমাদের অধিকারের জন্য আমাদেরকেই জেগে উঠতে হবে, কথা বলতে হবে। অধিকার ছিনিয়ে আনতে হবে। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি।’’

বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, ‘‘সমাজে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে ভয়াবহ রূপ ফুটে উঠেছে, তার সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেশ ও সমাজের অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।’’

পোস্টের শেষে ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, ‘‘অধিকার কেউ ঘরে এনে দিয়ে যাবে না। অধিকার লড়াই করে আদায় করতে হবে।’’

সম্পর্কিত