Advertisement Banner

শেষ সময়ে সমর্থন ছাড়াই মনোনয়ন জমা দিলেন ৩ নারী

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
শেষ সময়ে সমর্থন ছাড়াই মনোনয়ন জমা দিলেন ৩ নারী
নির্বাচন কমিশনের যুগ্মসচিব ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান। ছবি: চরচা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে কোনো দল বা জোটের সমর্থন ছাড়াই স্বতন্ত্রভাবে ৩ নারী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময় শেষে বিএনপি জোট থেকে ৩৬টি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ১৩টি এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে ১টি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনের যুগ্মসচিব ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান।

স্বতন্ত্রভাবে মনোনয়ন জমা দেওয়া ওই তিন নারী হলেন, শাম্মা আক্তার, মোসাম্মদ মেহরুন্নেসা ও মাহবুবা রহমান। মঈন উদ্দিন খান জানিয়েছেন, তাদের বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিস্তারিত জানানো হবে।

মঈন উদ্দিন খান বলেন, “আজ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল বিকাল ৪টা পর্যন্ত। আমরা এখানে বিএনপি ও তাদের জোট থেকে ৩৬টি মনোনয়নপত্র পেয়েছি। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জোট থেকে ১৩টি এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে ১টি মনোনয়নপত্র পেয়েছি—তার নাম মিস সুলতানা জেসমিন। এ ছাড়া আরও তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন; এ তিনজন কোনো দল বা জোট থেকে নয়, স্বতন্ত্রভাবে আবেদন করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। ২২ এপ্রিল বিকাল ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এবং ২৩ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত মাননীয় কমিশনের কাছে। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল সকাল ১১টা থেকে শেষ না হওয়া পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। প্রতীক বরাদ্দ হবে ৩০ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে শেষ না হওয়া পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

জাতীয় নির্বাচনের প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা এবং সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে তা একই কি না, এবং কেউ যদি সরকারি কোনো পদে থাকেন বা কর্মকর্তা হন, তবে তিনি কতদিন পর নির্বাচন করতে পারবেন- জানতে চাইলে মঈন উদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে আমরা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় ডকুমেন্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেব। নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-এ যা বলা আছে, সেটিই প্রযোজ্য। সেখানে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে থাকার পর অবসর বা পদত্যাগের কতদিন পর নির্বাচন করা যাবে–সে বিষয়েও বিধান উল্লেখ রয়েছে।

সম্পর্কিত