চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর বনশ্রীতে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোসাম্মৎ ফাতেমা আক্তার নীলি (১৮) হত্যাকাণ্ডে মূল আসামি হোটেলকর্মী মিলন মল্লিককে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ সোমবার বিকেলে কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন।
তিনি বলেন, গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার বড় সিংগা এলাকা থেকে র্যাব-৩ ও র্যাব-৬ এর যৌথ অভিযানে মিলনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার মিলন নিহত নীলির বাবার হোটেলে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। এ কারণে তিনি নিয়মিত নীলিদের বাসায় যাতায়াত করতেন। গত ৭ জানুয়ারি নীলির বাবা-মা ও ছোট ভাই পারিবারিক কাজে গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জে গেলে বাসায় নীলি ও তার বড় বোন শোভা আক্তার ছিলেন। ওই সময় হোটেলের অন্য কর্মচারীরাও ছুটিতে থাকায় মিলন একাই কাজ করছিলেন এবং নীলিদের বাসা থেকে খাবার আনা-নেওয়া করতেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিলন স্বীকার করেছেন, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে নীলিকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার আগের রাতে বাসায় গিয়ে আবারও প্রস্তাব দিলে নীলি এতে রাজি না হয়ে তাকে বকাঝকা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মিলন প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বলে অভিযোগ করেছে র্যাব।
লে. কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন জানায়, ঘটনার দিন নীলির বড় বোন বাসা থেকে বের হলে মিলন পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাইলনের রশি নিয়ে বাসায় প্রবেশ করেন। আবারও অনৈতিক প্রস্তাব দিলে নীলি রাজি না হওয়ায় তাকে রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর রান্নাঘর থেকে বটি এনে নীলির গলা কেটে হত্যা করেন বলে অভিযোগ র্যাবের।
গ্রেপ্তারের সময় মিলনের কাছ থেকে একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে, যাতে হত্যার সময় পরা জামাকাপড় ছিল। প্রাথমিকভাবে তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
হত্যার পর মিলন বাসা থেকে কিছু টাকা চুরি করে নিয়ে যায়, তবে স্বর্ণালঙ্কার চুরির বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেছে বলে অভিযোগ র্যাবের।
মিলনের নামে অতীতে কোনো মামলা ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার নামে ডিএমপি অর্ডিন্যান্সে একটি মামলার তথ্য আমরা পেয়েছি। এ ছাড়া তিনি মাদকাসক্ত বলেও অভিযোগ করে র্যাব।
এর আগে গত শনিবার দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসা থেকে নীলির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

রাজধানীর বনশ্রীতে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোসাম্মৎ ফাতেমা আক্তার নীলি (১৮) হত্যাকাণ্ডে মূল আসামি হোটেলকর্মী মিলন মল্লিককে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ সোমবার বিকেলে কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন।
তিনি বলেন, গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার বড় সিংগা এলাকা থেকে র্যাব-৩ ও র্যাব-৬ এর যৌথ অভিযানে মিলনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার মিলন নিহত নীলির বাবার হোটেলে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। এ কারণে তিনি নিয়মিত নীলিদের বাসায় যাতায়াত করতেন। গত ৭ জানুয়ারি নীলির বাবা-মা ও ছোট ভাই পারিবারিক কাজে গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জে গেলে বাসায় নীলি ও তার বড় বোন শোভা আক্তার ছিলেন। ওই সময় হোটেলের অন্য কর্মচারীরাও ছুটিতে থাকায় মিলন একাই কাজ করছিলেন এবং নীলিদের বাসা থেকে খাবার আনা-নেওয়া করতেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিলন স্বীকার করেছেন, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে নীলিকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার আগের রাতে বাসায় গিয়ে আবারও প্রস্তাব দিলে নীলি এতে রাজি না হয়ে তাকে বকাঝকা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মিলন প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বলে অভিযোগ করেছে র্যাব।
লে. কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন জানায়, ঘটনার দিন নীলির বড় বোন বাসা থেকে বের হলে মিলন পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাইলনের রশি নিয়ে বাসায় প্রবেশ করেন। আবারও অনৈতিক প্রস্তাব দিলে নীলি রাজি না হওয়ায় তাকে রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর রান্নাঘর থেকে বটি এনে নীলির গলা কেটে হত্যা করেন বলে অভিযোগ র্যাবের।
গ্রেপ্তারের সময় মিলনের কাছ থেকে একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে, যাতে হত্যার সময় পরা জামাকাপড় ছিল। প্রাথমিকভাবে তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
হত্যার পর মিলন বাসা থেকে কিছু টাকা চুরি করে নিয়ে যায়, তবে স্বর্ণালঙ্কার চুরির বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেছে বলে অভিযোগ র্যাবের।
মিলনের নামে অতীতে কোনো মামলা ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার নামে ডিএমপি অর্ডিন্যান্সে একটি মামলার তথ্য আমরা পেয়েছি। এ ছাড়া তিনি মাদকাসক্ত বলেও অভিযোগ করে র্যাব।
এর আগে গত শনিবার দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসা থেকে নীলির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।