চরচা প্রতিবেদক

বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া এবং প্রশ্নপত্রে ত্রুটির অভিযোগকে কেন্দ্র করে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সড়কে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। পূর্বঘোষিত ‘লং মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচিকে ঘিরে আজ বুধবার উত্তরা ও ইসিবি চত্ত্বরের সামনে জড়ো হয়ে একদল শিক্ষার্থী বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে।
এদিন বেলা দেড়টার দিকে উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা সড়ক অবরোধ করলে ঢাকা ও গাজীপুরমুখী যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ায় অনেকেই ভোগান্তিতে পড়েছেন। এছাড়া ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের প্রশ্নপত্রে ত্রুটি ছিল বলেও দাবি তাদের। এসবের প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবি তুলে ধরেন তারা।
এদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে ঘোষিত লং মার্চকে কেন্দ্র করে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সম্ভাব্য জমায়েতের আশঙ্কায় মোড় ও আশপাশ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।
দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, সিটি কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে বের হয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যাচ্ছেন। দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত সেখানে বড় ধরনের কোনো জমায়েত দেখা যায়নি। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় অভিভাবকদের উপস্থিতি ছিল বেশি, অনেকেই সন্তানদের দ্রুত বাসায় নিয়ে যেতে ব্যস্ত ছিলেন।
বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র, হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আরবি দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২ বিষয়ের পরীক্ষাও নেওয়া হয়।
এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে– দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত, ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।

বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া এবং প্রশ্নপত্রে ত্রুটির অভিযোগকে কেন্দ্র করে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সড়কে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। পূর্বঘোষিত ‘লং মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচিকে ঘিরে আজ বুধবার উত্তরা ও ইসিবি চত্ত্বরের সামনে জড়ো হয়ে একদল শিক্ষার্থী বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে।
এদিন বেলা দেড়টার দিকে উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা সড়ক অবরোধ করলে ঢাকা ও গাজীপুরমুখী যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ায় অনেকেই ভোগান্তিতে পড়েছেন। এছাড়া ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের প্রশ্নপত্রে ত্রুটি ছিল বলেও দাবি তাদের। এসবের প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবি তুলে ধরেন তারা।
এদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে ঘোষিত লং মার্চকে কেন্দ্র করে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সম্ভাব্য জমায়েতের আশঙ্কায় মোড় ও আশপাশ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।
দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, সিটি কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে বের হয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যাচ্ছেন। দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত সেখানে বড় ধরনের কোনো জমায়েত দেখা যায়নি। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় অভিভাবকদের উপস্থিতি ছিল বেশি, অনেকেই সন্তানদের দ্রুত বাসায় নিয়ে যেতে ব্যস্ত ছিলেন।
বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র, হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আরবি দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২ বিষয়ের পরীক্ষাও নেওয়া হয়।
এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে– দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত, ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।