চরচা ডেস্ক

দেশকে আরও সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তুলতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি তিনি শিশুদের প্রতি বছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অনুরোধ করেছেন।
আজ বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি– এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন। একই সময়ে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে একযোগে প্রায় দুই লাখ গাছের চারা রোপণের কার্যক্রম শুরু হয়।
শিশু শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা চেষ্টা করবে প্রতিবছর অন্তত একটি করে গাছ লাগাতে। সেটা স্কুলে হোক কিংবা বাসার আশপাশে যেখানেই সুযোগ পাও, একটি গাছ রোপণ করবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, গাছ সম্পর্কে জানতেও হবে। কোন গাছ কত অক্সিজেন উৎপাদন করে, মানুষের কী উপকারে আসে এবং পরিবেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ– এসব বিষয়ে ইন্টারনেট ও বিভিন্ন উৎস থেকে জানার পরামর্শ দেন তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর একটি নতুন গাছ সম্পর্কে জানতে পারলে তোমাদের জ্ঞানের পরিধিও বাড়বে। স্কুলে লাগানো গাছ বড় হয়ে একসময় তোমাদের ছায়া দেবে, বিশ্রামের জায়গা হবে। আর বাড়িতে লাগানো গাছ বড় হলে পরিবেশ হবে আরও শীতল ও বাসযোগ্য।
তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ কেবল একটি কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বিনিয়োগ। পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গাছ লাগানোর বিকল্প নেই।
তারেক রহমান বলেন, আজকের দিনটি অত্যন্ত স্মরণীয়। আজ আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশের মাটিতে একসঙ্গে অসংখ্য গাছ রোপণ করলাম। এই উদ্যোগ দেশের সবুজায়নকে আরও এগিয়ে নেবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শিশু শিক্ষার্থীদের তৈরি প্রাণ-প্রকৃতি বিষয়ক বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা ও প্রাথমিক এবং গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশকে আরও সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তুলতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি তিনি শিশুদের প্রতি বছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অনুরোধ করেছেন।
আজ বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি– এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন। একই সময়ে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে একযোগে প্রায় দুই লাখ গাছের চারা রোপণের কার্যক্রম শুরু হয়।
শিশু শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা চেষ্টা করবে প্রতিবছর অন্তত একটি করে গাছ লাগাতে। সেটা স্কুলে হোক কিংবা বাসার আশপাশে যেখানেই সুযোগ পাও, একটি গাছ রোপণ করবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, গাছ সম্পর্কে জানতেও হবে। কোন গাছ কত অক্সিজেন উৎপাদন করে, মানুষের কী উপকারে আসে এবং পরিবেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ– এসব বিষয়ে ইন্টারনেট ও বিভিন্ন উৎস থেকে জানার পরামর্শ দেন তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর একটি নতুন গাছ সম্পর্কে জানতে পারলে তোমাদের জ্ঞানের পরিধিও বাড়বে। স্কুলে লাগানো গাছ বড় হয়ে একসময় তোমাদের ছায়া দেবে, বিশ্রামের জায়গা হবে। আর বাড়িতে লাগানো গাছ বড় হলে পরিবেশ হবে আরও শীতল ও বাসযোগ্য।
তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ কেবল একটি কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বিনিয়োগ। পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গাছ লাগানোর বিকল্প নেই।
তারেক রহমান বলেন, আজকের দিনটি অত্যন্ত স্মরণীয়। আজ আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশের মাটিতে একসঙ্গে অসংখ্য গাছ রোপণ করলাম। এই উদ্যোগ দেশের সবুজায়নকে আরও এগিয়ে নেবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শিশু শিক্ষার্থীদের তৈরি প্রাণ-প্রকৃতি বিষয়ক বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা ও প্রাথমিক এবং গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খুলনা নগরীতে গভীর রাতে সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) পাশাপাশি সিআইডি, পিবিআইসহ একাধিক সংস্থা কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কেএমপি কমিশনার মো. জাহিদুল হাসান।

একটি ব্যাটারি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান থেকে মালামাল কিনে টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগে দায়ের হওয়া প্রতারণা মামলায় জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি। আজ বুধবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন ববি।