চরচা প্রতিবেদক

এক হাজার বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। আজ বুধবার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলাম এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কুমিল্লার নাঙ্গলকোট এলাকার মো. হারুন ও নোয়াখালী সদর থানার মো. নাসির উদ্দিন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর চরচাকে বলেন, “অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার পর দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট নগরীর সিটি গেইট এলাকায় চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল কুমিল্লা থেকে আসা কভার্ড ভ্যানে অভিযান চালিয়ে এক হাজার বোতল ফেনসিডিলসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
সেসময় পুলিশ বলেছিল, এসব ফেনসিডিল কুমিল্লা থেকে পাইকারি হিসেবে কিনে বিক্রির জন্য চট্টগ্রামে আনা হচ্ছিল।
এ ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের এসআই সেকান্দর আলী বাদী হয়ে আকবর শাহ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত রায় দেন।

এক হাজার বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনায় দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। আজ বুধবার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলাম এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কুমিল্লার নাঙ্গলকোট এলাকার মো. হারুন ও নোয়াখালী সদর থানার মো. নাসির উদ্দিন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর চরচাকে বলেন, “অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার পর দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট নগরীর সিটি গেইট এলাকায় চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল কুমিল্লা থেকে আসা কভার্ড ভ্যানে অভিযান চালিয়ে এক হাজার বোতল ফেনসিডিলসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
সেসময় পুলিশ বলেছিল, এসব ফেনসিডিল কুমিল্লা থেকে পাইকারি হিসেবে কিনে বিক্রির জন্য চট্টগ্রামে আনা হচ্ছিল।
এ ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের এসআই সেকান্দর আলী বাদী হয়ে আকবর শাহ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত রায় দেন।