চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ অনিয়মের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি রায়ের দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত।
আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ-৪ এর বিচারক রবিউল আলম যুক্তিতর্ক শেষে এ তারিখ ধার্য করেন।
এই মামলার অপর আসামি খুরশীদ আলমের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম জানান, আজ যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য ছিল। সেজন্য এই মামলার একমাত্র গ্রেপ্তার আসামি খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতি যুক্তিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায়ের তারিখ ধার্য করেন।
ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস. এম. রাশেদুল হাসান। মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা ও শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ১০ মার্চ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারি পরিচালক এস. এম. রাশেদুল হাসান। এ মামলায় ২৮ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সচিব শহিদ উল্লাহ খন্দকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), সহকারী পরিচালক ফারিয়া সুলতানা, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ, পরিচালক শেখ শহিদুল ইসলাম, তদন্তে প্রাপ্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
গত ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম তিন মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ অনিয়মের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি রায়ের দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত।
আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ-৪ এর বিচারক রবিউল আলম যুক্তিতর্ক শেষে এ তারিখ ধার্য করেন।
এই মামলার অপর আসামি খুরশীদ আলমের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম জানান, আজ যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য ছিল। সেজন্য এই মামলার একমাত্র গ্রেপ্তার আসামি খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতি যুক্তিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায়ের তারিখ ধার্য করেন।
ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস. এম. রাশেদুল হাসান। মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা ও শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ১০ মার্চ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারি পরিচালক এস. এম. রাশেদুল হাসান। এ মামলায় ২৮ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সচিব শহিদ উল্লাহ খন্দকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), সহকারী পরিচালক ফারিয়া সুলতানা, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ, পরিচালক শেখ শহিদুল ইসলাম, তদন্তে প্রাপ্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
গত ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম তিন মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

তদন্তকালে ইনাম আহমেদের নামে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পত্তি হস্তান্তর করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। বিদেশে পালিয়ে গেলে তদন্ত কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মামলার ইনাম আহমেদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন।