নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে তিন বছর আগে ১০ বছর বয়সী আবিদা সুলতানা আয়নী খুনের ঘটনায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ সোমবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. সাইফুর রহমান এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. রুবেল একজন সবজি বিক্রেতা। রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ।
আইনজীবী মাহমুদুল আলম চৌধুরী চরচাকে বলেন, “হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি রুবেলকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।”
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৯ মার্চ পাহাড়তলী থানাধীন সাগরিকা বাই লেইন মুরগি ফার্ম আলমতারা পুকুর পাড় এলাকার ডোবা থেকে ১০ বছর বয়সি শিশু আবিদা সুলতানা আয়নীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে ২১ মার্চ বিকাল থেকে আয়নীর খোঁজ মিলছিল না। এ ঘটনায় তার মা বিবি ফাতেমা থানায় একটি সাধারণ ডায়রিও করেন। পরবর্তীতে ২৮ মার্চ অপহরণের মামলা করেন তিনি। এতে প্রতিবেশী সবজি বিক্রেতা রুবেলকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তারের পর ২৯ মার্চ আয়নীর লাশ উদ্ধার করে পিবিআই।
ওইসময় পিবিআই বলেছিল, শিশুটিকে বিড়াল এনে দেয়ার কথা বলে কাজীর দীঘি এলাকায় একটি ভবনের চারতলায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করলে চিৎকার করে দরজা খুলে বের হবার চেষ্টা করে। বিষয়টি অন্যদের জানিয়ে দেয়ার ভয় থেকে রুবেল শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে লাশটি ডোবায় ফেলে দেয়।
আইনজীবী মাহমুদুল আলম চৌধুরী জানান, আসামি রুবেল আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। এ ঘটনায় ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রামে তিন বছর আগে ১০ বছর বয়সী আবিদা সুলতানা আয়নী খুনের ঘটনায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ সোমবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. সাইফুর রহমান এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. রুবেল একজন সবজি বিক্রেতা। রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ।
আইনজীবী মাহমুদুল আলম চৌধুরী চরচাকে বলেন, “হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি রুবেলকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।”
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৯ মার্চ পাহাড়তলী থানাধীন সাগরিকা বাই লেইন মুরগি ফার্ম আলমতারা পুকুর পাড় এলাকার ডোবা থেকে ১০ বছর বয়সি শিশু আবিদা সুলতানা আয়নীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে ২১ মার্চ বিকাল থেকে আয়নীর খোঁজ মিলছিল না। এ ঘটনায় তার মা বিবি ফাতেমা থানায় একটি সাধারণ ডায়রিও করেন। পরবর্তীতে ২৮ মার্চ অপহরণের মামলা করেন তিনি। এতে প্রতিবেশী সবজি বিক্রেতা রুবেলকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তারের পর ২৯ মার্চ আয়নীর লাশ উদ্ধার করে পিবিআই।
ওইসময় পিবিআই বলেছিল, শিশুটিকে বিড়াল এনে দেয়ার কথা বলে কাজীর দীঘি এলাকায় একটি ভবনের চারতলায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করলে চিৎকার করে দরজা খুলে বের হবার চেষ্টা করে। বিষয়টি অন্যদের জানিয়ে দেয়ার ভয় থেকে রুবেল শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে লাশটি ডোবায় ফেলে দেয়।
আইনজীবী মাহমুদুল আলম চৌধুরী জানান, আসামি রুবেল আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। এ ঘটনায় ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন।