চরচা প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থ বছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে যে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তা ফাঁকাবুলি এবং একটি চটকদার সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাজেটের অনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে সংবাদ সম্মেলন করে এমন মন্তব্য করে দলটি। সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
জামায়াতের সেক্রেটারি পরওয়ার বলেন, ‘‘প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা এই বাজেটের প্রস্তাবনায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ, যা একটা চটকদার সিদ্ধান্ত। বর্তমান ভঙ্গুর বিনিয়োগ পরিবেশ, দুর্বল আর্থিকনীতি, ব্যাংকিং খাতে অন্যায্য হস্তক্ষেপ সীমাহীন দুর্নীতি বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের ফলে দেশের ভবিষ্যৎ উৎপাদনশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করবে।’’
পরওয়ার বলেন, ‘‘আইএমএফ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা জিডিপি প্রবৃত্তির লক্ষ্যমাত্রা পূর্বাভাস ৫ শতাংশ নিচে রেখেছে। সমস্ত আন্তর্জাতিক শতাংশ বলছে, জিডিপি আগামী অর্থবছরে ৫ শতাংশ নিচে থাকবে। সেখানে বর্তমান সরকারের বাজেটে ৬ দশমিক ৫ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। যা এখনো কখনো অর্জন করা হয় নাই। এটা একটা ফাঁকা বুলি, ফাঁপানো বুলি হিসেবেই আমরা মনে করি।’’
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে পরওয়ার বলেন, ‘‘এই বাজেটের প্রধান দুর্বলতা হচ্ছে, এটা একটা বিশাল ধরনের ঘাটতি বাজেট। ঘাটতি বাজেট আমাদের দেশে একটা ট্রেডিশন কিন্তু সেটার একটা মাত্রা থাকে। আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশের বাজেটগুলো সাধারণত ডেফিসিট (ঘাটতি) বাজেট হয়ে থাকে। কিন্তু এবারের বাজেটটা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অংকের একটা ঘাটতি বাজেট পেশ করা হয়েছে।’’
পরওয়ার বলেন, ‘‘দ্বিতীয়ত, এ বাজেটটা বিরাট ঋণ নির্ভর এবং সে ঋণের মধ্যে ব্যাংক লোনের ওপরে নির্ভরশীলতা, বিদেশ ঋণের ওপরে নির্ভরশীলতা বেড়েছে। ফলে প্রবৃদ্ধির যে কঠিন সমীকরণ এবং এই ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের বাজেটের অর্থসংস্থান করতে গিয়ে, এখানে যে ৬ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকার যে রাজস্ব আয়ের কথা বলা হয়েছে সেই রাজস্ব কিভাবে আদায় করা হবে?’’
জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, ‘‘যে সোর্সগুলো দেখানো হয়েছে, তাতে রাজস্ব আয় করতে গেলে যে কর কাঠামো লাগে দুর্নীতিমুক্ত কর এডমিনিস্ট্রেশন লাগে। সেগুলো কিছুই নাই। অর্থমন্ত্রী খুব টেকনিক্যালি কালকে একটা কথা বলেছেন, মানে কর বৃদ্ধি যে করা হয়েছে যেগুলো সাধারণ নাগরিক জীবনে গার্মেন্টষ শিল্পের ওপর অন্যান্য জায়গায় ইফেক্ট করবে। ভাষার ছলচাতুরে বলেছেন, আমরা করের উৎস বাড়াচ্ছি। করের জাল তৈরি করে, নগর জীবনে নাগরিক এটার যে চাপ, প্রভাবটাকে উনারা শব্দ প্রয়োগের মাধ্যমে সেই চালাকি করে। কর বৃদ্ধির জায়গাগুলো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। সেটা এ বাজেটের একটা বড় বৈশিষ্ট্য।’’

২০২৬-২৭ অর্থ বছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে যে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তা ফাঁকাবুলি এবং একটি চটকদার সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাজেটের অনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে সংবাদ সম্মেলন করে এমন মন্তব্য করে দলটি। সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
জামায়াতের সেক্রেটারি পরওয়ার বলেন, ‘‘প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা এই বাজেটের প্রস্তাবনায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ, যা একটা চটকদার সিদ্ধান্ত। বর্তমান ভঙ্গুর বিনিয়োগ পরিবেশ, দুর্বল আর্থিকনীতি, ব্যাংকিং খাতে অন্যায্য হস্তক্ষেপ সীমাহীন দুর্নীতি বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের ফলে দেশের ভবিষ্যৎ উৎপাদনশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করবে।’’
পরওয়ার বলেন, ‘‘আইএমএফ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা জিডিপি প্রবৃত্তির লক্ষ্যমাত্রা পূর্বাভাস ৫ শতাংশ নিচে রেখেছে। সমস্ত আন্তর্জাতিক শতাংশ বলছে, জিডিপি আগামী অর্থবছরে ৫ শতাংশ নিচে থাকবে। সেখানে বর্তমান সরকারের বাজেটে ৬ দশমিক ৫ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। যা এখনো কখনো অর্জন করা হয় নাই। এটা একটা ফাঁকা বুলি, ফাঁপানো বুলি হিসেবেই আমরা মনে করি।’’
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে পরওয়ার বলেন, ‘‘এই বাজেটের প্রধান দুর্বলতা হচ্ছে, এটা একটা বিশাল ধরনের ঘাটতি বাজেট। ঘাটতি বাজেট আমাদের দেশে একটা ট্রেডিশন কিন্তু সেটার একটা মাত্রা থাকে। আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশের বাজেটগুলো সাধারণত ডেফিসিট (ঘাটতি) বাজেট হয়ে থাকে। কিন্তু এবারের বাজেটটা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অংকের একটা ঘাটতি বাজেট পেশ করা হয়েছে।’’
পরওয়ার বলেন, ‘‘দ্বিতীয়ত, এ বাজেটটা বিরাট ঋণ নির্ভর এবং সে ঋণের মধ্যে ব্যাংক লোনের ওপরে নির্ভরশীলতা, বিদেশ ঋণের ওপরে নির্ভরশীলতা বেড়েছে। ফলে প্রবৃদ্ধির যে কঠিন সমীকরণ এবং এই ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের বাজেটের অর্থসংস্থান করতে গিয়ে, এখানে যে ৬ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকার যে রাজস্ব আয়ের কথা বলা হয়েছে সেই রাজস্ব কিভাবে আদায় করা হবে?’’
জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, ‘‘যে সোর্সগুলো দেখানো হয়েছে, তাতে রাজস্ব আয় করতে গেলে যে কর কাঠামো লাগে দুর্নীতিমুক্ত কর এডমিনিস্ট্রেশন লাগে। সেগুলো কিছুই নাই। অর্থমন্ত্রী খুব টেকনিক্যালি কালকে একটা কথা বলেছেন, মানে কর বৃদ্ধি যে করা হয়েছে যেগুলো সাধারণ নাগরিক জীবনে গার্মেন্টষ শিল্পের ওপর অন্যান্য জায়গায় ইফেক্ট করবে। ভাষার ছলচাতুরে বলেছেন, আমরা করের উৎস বাড়াচ্ছি। করের জাল তৈরি করে, নগর জীবনে নাগরিক এটার যে চাপ, প্রভাবটাকে উনারা শব্দ প্রয়োগের মাধ্যমে সেই চালাকি করে। কর বৃদ্ধির জায়গাগুলো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। সেটা এ বাজেটের একটা বড় বৈশিষ্ট্য।’’