চরচা ডেস্ক

দিদিয়ে দেশমের অধীনে এক যুগেরও বেশি সময়ের সফল অধ্যায়ের সমাপ্তি হয়েছে ফরাসি ফুটবলে। শেষটা ভালো না হলেও জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দেশমের অর্জনের পাল্লা বেশ ভারি। তার নেতৃত্বে ফ্রান্স একবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন, একবার রানার্সআপ, একবার ইউরো ফাইনালিস্ট এবং একবার ইউয়েফা নেশন্স লিগের শিরোপা জিতেছে।
২০১২ সালে ফ্রান্স জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন দেশম। সে সময় জিনেদিন জিদানদের প্রজন্মের পর ফরাসি ফুটবল কঠিন সময় পার করছিল। ২০১৪ বিশ্বকাপেও প্রত্যাশামতো পারফরম্যান্স করতে পারেনি দল। তবে এক ঝাঁক তরুণ প্রতিভাকে নিয়ে নতুন দল গড়ার জন্য দেশমকে সময় দিয়েছিল ফ্রেঞ্চ ফুটবল ফেডারেশন।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের প্রথম বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন দেশম। কোচ হিসেবে শুরুতে তাকে নিয়ে খুব বেশি প্রত্যাশা ছিল না। তবে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে শুধু কৌশল নয়, খেলোয়াড়দের সামলানোর দক্ষতাও গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই জায়গায় গত এক দশকে অন্যতম সফল ছিলেন দেশম।
২০১৬ ইউরোতে শিরোপার খুব কাছে গিয়েও পর্তুগালের কাছে ফাইনালে হেরে যায় ফ্রান্স। তবে সেই দলই দুই বছর পর রাশিয়া বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়ে। কিলিয়ান এমবাপ্পে, পল পগবাদের মতো প্রতিভাবানদের নিয়ে গড়া দলকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেন দেশম। শেষ ১৬তে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শুরু করা সেই অভিযানে ফ্রান্স দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে।
দেশমের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল দলের ভেতরের ভারসাম্য ধরে রাখা। তারকা খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া ফ্রান্স দলে বিভিন্ন সময় বিভাজনের খবর এলেও তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। এমবাপ্পের সঙ্গেও একসময় মতবিরোধ তৈরি হলেও পরে তা কাটিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়েছেন।
২০২২ বিশ্বকাপেও ফ্রান্সকে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে তোলেন দেশম। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে ম্যাচে ফিরে আসে দল। তবে টাইব্রেকারে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হয়।
২০২৬ বিশ্বকাপকে বিদায়ী মঞ্চ হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন দেশম। এমবাপ্পের নেতৃত্বে ফ্রান্স সেমিফাইনালে উঠলেও স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে যায়। এরপর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও ৬-৪ গোলে হেরে পরাজয় দিয়ে শেষ হয় তার শেষ অভিযান।
এক যুগের বেশি সময় জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আধুনিক ফুটবলে বিরল ঘটনা। খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে বিশ্বকাপজয়ী দেশম খালি হাতে বিদায় নিলেও ফরাসি ফুটবলে তার অবদান তাকে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দিয়েছে।

দিদিয়ে দেশমের অধীনে এক যুগেরও বেশি সময়ের সফল অধ্যায়ের সমাপ্তি হয়েছে ফরাসি ফুটবলে। শেষটা ভালো না হলেও জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দেশমের অর্জনের পাল্লা বেশ ভারি। তার নেতৃত্বে ফ্রান্স একবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন, একবার রানার্সআপ, একবার ইউরো ফাইনালিস্ট এবং একবার ইউয়েফা নেশন্স লিগের শিরোপা জিতেছে।
২০১২ সালে ফ্রান্স জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন দেশম। সে সময় জিনেদিন জিদানদের প্রজন্মের পর ফরাসি ফুটবল কঠিন সময় পার করছিল। ২০১৪ বিশ্বকাপেও প্রত্যাশামতো পারফরম্যান্স করতে পারেনি দল। তবে এক ঝাঁক তরুণ প্রতিভাকে নিয়ে নতুন দল গড়ার জন্য দেশমকে সময় দিয়েছিল ফ্রেঞ্চ ফুটবল ফেডারেশন।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের প্রথম বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন দেশম। কোচ হিসেবে শুরুতে তাকে নিয়ে খুব বেশি প্রত্যাশা ছিল না। তবে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে শুধু কৌশল নয়, খেলোয়াড়দের সামলানোর দক্ষতাও গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই জায়গায় গত এক দশকে অন্যতম সফল ছিলেন দেশম।
২০১৬ ইউরোতে শিরোপার খুব কাছে গিয়েও পর্তুগালের কাছে ফাইনালে হেরে যায় ফ্রান্স। তবে সেই দলই দুই বছর পর রাশিয়া বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়ে। কিলিয়ান এমবাপ্পে, পল পগবাদের মতো প্রতিভাবানদের নিয়ে গড়া দলকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেন দেশম। শেষ ১৬তে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শুরু করা সেই অভিযানে ফ্রান্স দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে।
দেশমের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল দলের ভেতরের ভারসাম্য ধরে রাখা। তারকা খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া ফ্রান্স দলে বিভিন্ন সময় বিভাজনের খবর এলেও তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। এমবাপ্পের সঙ্গেও একসময় মতবিরোধ তৈরি হলেও পরে তা কাটিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়েছেন।
২০২২ বিশ্বকাপেও ফ্রান্সকে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে তোলেন দেশম। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে ম্যাচে ফিরে আসে দল। তবে টাইব্রেকারে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হয়।
২০২৬ বিশ্বকাপকে বিদায়ী মঞ্চ হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন দেশম। এমবাপ্পের নেতৃত্বে ফ্রান্স সেমিফাইনালে উঠলেও স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে যায়। এরপর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও ৬-৪ গোলে হেরে পরাজয় দিয়ে শেষ হয় তার শেষ অভিযান।
এক যুগের বেশি সময় জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আধুনিক ফুটবলে বিরল ঘটনা। খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে বিশ্বকাপজয়ী দেশম খালি হাতে বিদায় নিলেও ফরাসি ফুটবলে তার অবদান তাকে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দিয়েছে।

গত ৮ জুলাই স্বামী রনির সাথে চলে যাওয়ার জন্য নগরীর বসুপাড়া বাঁশতলা এলাকার বাড়ি থেকে বের হয় নির্জনা। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে রাস্তা থেকে বাড়ি নিয়ে আসে। ওইদিন বিকেলে মা সীমার সাথে নির্জনার কথা কাটাকাটি হয়। সে সময় নির্জনা মায়ের গায়ে হাত তোলে। এরপর সীমার গলা টিপে ধরে নির্জনা।