জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) নেতিবাচক প্রতিবেদনের কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ আটকে থাকা ময়মনসিংহের ২২ প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন শেষ পর্যন্ত নিয়োগপত্র পেয়েছেন।
গতকাল বুধবার দিনভর অনশনের পর মধ্যরাতে তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তবে বাকি দুই প্রার্থীর নিয়োগের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। খবর ইউএনবির।
আজ বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ২০ জনের নিয়োগপত্র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নিয়োগপত্র পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে ওই ২০ প্রার্থীর মধ্যে। তবে বাকি দুই প্রার্থীর নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
এর আগে এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে নেতিবাচক তথ্য আসার কথা জানিয়ে ময়মনসিংহ জেলা থেকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২২ জন প্রার্থীর নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়। পরে নিয়োগপত্র না পেয়ে গতকাল বেলা সোয়া ১১টা থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনশন শুরু করেন তারা।
অনশনরত প্রার্থীদের অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্ত্বেও নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছিল না। এমনকি এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে কী ধরনের নেতিবাচক তথ্য রয়েছে, সে বিষয়েও তাদের কিছু জানানো হয়নি।
অনশনকারীদের কাজী অনিক নিয়োগপত্র পাওয়ার পর বলেন, “মধ্যরাতে ওয়েবসাইটে নিয়োগপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। নিয়োগপত্র পেয়ে আমরা খুশি। আজকেই যোগদান করব।”
নিয়োগপত্র না পাওয়া জাহিদ হাসান বলেন, “দিনভর জানার চেষ্টা করেছি, কেন আমাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। আমি রাজনৈতিক কোনো পদ-পদবিতে ছিলাম না। তবুও নিয়োগপত্র কেন পেলাম না, তা জানি না।”
ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে মধ্যরাতে ২০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। নিয়োগপত্র পাওয়া ২০ জন আজকেই যোগদান করবেন।”