চরচা প্রতিবেদক

পেট্রোল পাম্পের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিজেদেরকেই সিদ্ধান্ত নিতে বলল পাম্প মালিক ও ডিলারদের সংগঠন।
আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটর্স এজেন্টস্ অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এ কথা বলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ইরানের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল ডিপোসমূহ থেকে আমাদের অস্বাভাবিক চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে না বা আপাতত তা সরবরাহ করতেও পারবে না। অন্যদিকে মোটরসাইকেল ও সাধারণ ভোক্তাদের ফিলিং স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। একইসাথে বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ ভোক্তা ও মোটরসাইকেল চালক কর্তৃক ফিলিং স্টেশনের স্টাফদের মারধরসহ ফিলিং স্টেশন ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে এবং যা প্রতি নিয়ত ঘটেই চলেছে।”
সংগঠনটির এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেশের সব ডিসি ও এসপিদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘‘এমতাবস্থায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে ফিলিং স্টেশন চালু রাখতে হবে। অন্যথায় কারো আদেশের অপেক্ষায় না থেকে ফিলিং স্টেশন পরিচালনার ক্ষেত্রে নিজের নিরাপত্তা নিজেকেই নিয়ে চলতে হবে। এমতাবস্থায় পাম্পের সকল কর্মচারীদের নিরাপত্তা দিয়ে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন যাতে কোনোভাবে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।”
এদিকে, গতকাল রোববার রাতে পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নামে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে জানানো হয়, যেকোনা সময় পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তবে পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি নাজমুল হক বলেন, তারা কোনো ধরনের পোস্ট দেননি। তিনি বলেন, “আমাদের সংগঠন থেকে কোনো বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। যারা এটা দিয়েছে তারা প্যানিক সৃষ্টি করছে।”
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এরপর দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নিয়ে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি কেনা শুরু করায় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গত ৬ মার্চ থেকে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে সীমা বেঁধে দেয় সরকার। পরে রাইডশেয়ারিং চালকদের জন্য মোটরসাইকেলে জ্বালানির সীমা দুই লিটার থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লিটার করা হয়।
গত ১৫ মার্চ থেকে জ্বালানি বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেয় সরকার। তবুও ঈদের ছুটিতে ঢাকার বিভিন্ন পাম্পে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। ঢাকার বাইরে অনেক জায়গায় তেল না থাকায় বিপাকে পড়েছে অনেকে।

পেট্রোল পাম্পের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিজেদেরকেই সিদ্ধান্ত নিতে বলল পাম্প মালিক ও ডিলারদের সংগঠন।
আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটর্স এজেন্টস্ অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এ কথা বলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ইরানের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল ডিপোসমূহ থেকে আমাদের অস্বাভাবিক চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে না বা আপাতত তা সরবরাহ করতেও পারবে না। অন্যদিকে মোটরসাইকেল ও সাধারণ ভোক্তাদের ফিলিং স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। একইসাথে বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ ভোক্তা ও মোটরসাইকেল চালক কর্তৃক ফিলিং স্টেশনের স্টাফদের মারধরসহ ফিলিং স্টেশন ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে এবং যা প্রতি নিয়ত ঘটেই চলেছে।”
সংগঠনটির এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেশের সব ডিসি ও এসপিদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘‘এমতাবস্থায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে ফিলিং স্টেশন চালু রাখতে হবে। অন্যথায় কারো আদেশের অপেক্ষায় না থেকে ফিলিং স্টেশন পরিচালনার ক্ষেত্রে নিজের নিরাপত্তা নিজেকেই নিয়ে চলতে হবে। এমতাবস্থায় পাম্পের সকল কর্মচারীদের নিরাপত্তা দিয়ে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন যাতে কোনোভাবে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।”
এদিকে, গতকাল রোববার রাতে পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নামে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে জানানো হয়, যেকোনা সময় পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তবে পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি নাজমুল হক বলেন, তারা কোনো ধরনের পোস্ট দেননি। তিনি বলেন, “আমাদের সংগঠন থেকে কোনো বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। যারা এটা দিয়েছে তারা প্যানিক সৃষ্টি করছে।”
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এরপর দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নিয়ে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি কেনা শুরু করায় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গত ৬ মার্চ থেকে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে সীমা বেঁধে দেয় সরকার। পরে রাইডশেয়ারিং চালকদের জন্য মোটরসাইকেলে জ্বালানির সীমা দুই লিটার থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লিটার করা হয়।
গত ১৫ মার্চ থেকে জ্বালানি বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেয় সরকার। তবুও ঈদের ছুটিতে ঢাকার বিভিন্ন পাম্পে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। ঢাকার বাইরে অনেক জায়গায় তেল না থাকায় বিপাকে পড়েছে অনেকে।