চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আজ বুধবার বলেছেন, ইরান সংকটের অবসানে আলোচনায় বসতে ওয়াশিংটন এখনো প্রস্তুত। তবে তার দাবি, তেহরান আলোচনার বিষয়ে আন্তরিক নয়। এদিকে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জ্বালানি পরিবহন পথের ওপর চাপ বেড়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকে রুবিও এ মন্তব্য করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
রুবিও বলেন, ওয়াশিংটন “সবসময় কূটনীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ”। তবে তেহরান আলোচনায় একই ধরনের অঙ্গীকার দেখাচ্ছে কি না, তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “এ মুহূর্তে আমাদের সমস্যা হলো, তারা আলোচনার বিষয়ে আন্তরিক নয়। তারা যদি আন্তরিক হয়, আমরাও আন্তরিক। আর যদি না হয়, তাহলে আমাদের স্বার্থ এবং আমাদের মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় যা প্রয়োজন, আমরা তা করব।”
রুবিও জোর দিয়ে বলেন, ইরানকে কোনোভাবেই হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করতে দেওয়া যাবে না। তার মতে, এতে এমন একটি বিপজ্জনক নজির তৈরি হবে, যা দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সঙ্গে আঞ্চলিক বিরোধে জড়িত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জন্যও উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে যদি এমন নজির তৈরি হয় যে একটি রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক নৌপথ নিয়ন্ত্রণ করবে, টোল আদায় করবে এবং টাকা না দিলে জাহাজে হামলা চালাবে, তাহলে সেটি বিশ্বের অন্য অঞ্চলেও পুনরাবৃত্তি হবে, এই অঞ্চলও তার বাইরে থাকবে না।”
এদিকে সোমবার এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তি টিকিয়ে রাখতে মধ্যস্থতাকারীরা ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব তেহরানের কাছে দিয়েছে। জুনের ওই চুক্তিটি এর আগের এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির স্থলাভিষিক্ত হয়েছিল।
কূটনৈতিক তৎপরতা এখনো পুরোপুরি থেমে যায়নি— এমন ইঙ্গিত দিয়ে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনি মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান সফর করে ইসলামাবাদকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আজ বুধবার বলেছেন, ইরান সংকটের অবসানে আলোচনায় বসতে ওয়াশিংটন এখনো প্রস্তুত। তবে তার দাবি, তেহরান আলোচনার বিষয়ে আন্তরিক নয়। এদিকে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জ্বালানি পরিবহন পথের ওপর চাপ বেড়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকে রুবিও এ মন্তব্য করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
রুবিও বলেন, ওয়াশিংটন “সবসময় কূটনীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ”। তবে তেহরান আলোচনায় একই ধরনের অঙ্গীকার দেখাচ্ছে কি না, তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “এ মুহূর্তে আমাদের সমস্যা হলো, তারা আলোচনার বিষয়ে আন্তরিক নয়। তারা যদি আন্তরিক হয়, আমরাও আন্তরিক। আর যদি না হয়, তাহলে আমাদের স্বার্থ এবং আমাদের মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় যা প্রয়োজন, আমরা তা করব।”
রুবিও জোর দিয়ে বলেন, ইরানকে কোনোভাবেই হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করতে দেওয়া যাবে না। তার মতে, এতে এমন একটি বিপজ্জনক নজির তৈরি হবে, যা দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সঙ্গে আঞ্চলিক বিরোধে জড়িত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জন্যও উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে যদি এমন নজির তৈরি হয় যে একটি রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক নৌপথ নিয়ন্ত্রণ করবে, টোল আদায় করবে এবং টাকা না দিলে জাহাজে হামলা চালাবে, তাহলে সেটি বিশ্বের অন্য অঞ্চলেও পুনরাবৃত্তি হবে, এই অঞ্চলও তার বাইরে থাকবে না।”
এদিকে সোমবার এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তি টিকিয়ে রাখতে মধ্যস্থতাকারীরা ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব তেহরানের কাছে দিয়েছে। জুনের ওই চুক্তিটি এর আগের এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির স্থলাভিষিক্ত হয়েছিল।
কূটনৈতিক তৎপরতা এখনো পুরোপুরি থেমে যায়নি— এমন ইঙ্গিত দিয়ে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনি মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান সফর করে ইসলামাবাদকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।