চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট (এনআইবিপিএস) থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় আহত সর্বশেষ শিক্ষার্থী আব্দুর রহিম। আজ বুধবার দুপুরে বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
আব্দুর রহিম মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বয়স আনুমানিক ১১ বছর। দীর্ঘ প্রায় ছয় মাসের নিবিড় চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে বাড়িতে ফিরল শিশু রহিম।
গত বছরের ২১ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উত্তরা শাখায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ ফাইটার জেট বিধ্বস্ত হলে গুরুতর দগ্ধ হয় রহিম। দুর্ঘটনার পর থেকে সে বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিল।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় আহত শেষ রোগী হিসেবে রহিমকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনায় তার শরীরের প্রায় ১২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এই চিকিৎসক আরও জানান, রহিমের ছাড়পত্রের মধ্য দিয়ে ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আহত মোট ৩৬ জন রোগীর সবাই চিকিৎসা শেষে বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেল।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট (এনআইবিপিএস) থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় আহত সর্বশেষ শিক্ষার্থী আব্দুর রহিম। আজ বুধবার দুপুরে বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
আব্দুর রহিম মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বয়স আনুমানিক ১১ বছর। দীর্ঘ প্রায় ছয় মাসের নিবিড় চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে বাড়িতে ফিরল শিশু রহিম।
গত বছরের ২১ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উত্তরা শাখায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ ফাইটার জেট বিধ্বস্ত হলে গুরুতর দগ্ধ হয় রহিম। দুর্ঘটনার পর থেকে সে বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিল।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় আহত শেষ রোগী হিসেবে রহিমকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনায় তার শরীরের প্রায় ১২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এই চিকিৎসক আরও জানান, রহিমের ছাড়পত্রের মধ্য দিয়ে ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আহত মোট ৩৬ জন রোগীর সবাই চিকিৎসা শেষে বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেল।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনে পানি পড়ার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ভবনের যতগুলো জায়গা থেকে পানি পড়ার সমস্যা রয়েছে, তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।