মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার কুমারশাইল সীমান্তে চোরাকারবারি ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
এ সময় বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ৫০০টি ইয়াবাসহ এক ভারতীয় চোরাকারবারিকে আটক করা হয়।
আজ শুক্রবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন (৫২ বিজিবি) জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এক বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
বিজিবির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, ভারত থেকে একটি চোরাকারবারি দল কুমারশাইল সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র ও মাদকের একটি চালান বাংলাদেশে পাচার করবে, এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ টহল দল রাত ১০টার দিকে ওই এলাকায় অবস্থান নেয়।
চোরাকারবারিরা সেখানে পৌঁছালে বিজিবি সদস্যরা তাদের বাধা দেন। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষায় বিজিবি সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায় বলে জানায় বিজিবি ।
এরপর চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া দিয়ে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেন।
বিজিবি জানায়, আটক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ৫০০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি সীমান্তপারের একটি চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
বিজিবির ধারণা, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও মাদক বাংলাদেশে সরবরাহের জন্য ভারত থেকে আনা হয়েছিল।
ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া অন্য চোরাকারবারিদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিজিবির গোয়েন্দা দল।
বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আতাউর রহমান সুজন বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
আতাউর রহমান বলেন, “সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদকের ভয়াবহতা থেকে দেশের তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”