সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর সাতজনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে আত্রাই উপজেলার মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
পরে নিহতদের মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামে নিয়ে দাফন করা হয়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নয় বাংলাদেশির মরদেহ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। নিহতদের মধ্যে সাতজনই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা।
গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবের একটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৬ বাংলাদেশি নিহত হন। স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে মরদেহগুলো আত্রাইয়ে নেওয়া হয়। এরপর মরদেহগুলো বহনকারী গাড়িতে করে আত্রাই থানা চত্বরে রাখা হয়। সকাল পর্যন্ত সেখানেই ছিল মরদেহগুলো।
নিহতরা হলেন উদনপাই গ্রামের মঈন উদ্দিনের ছেলে মো. ফরিদ, সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল প্রামাণিক, মোহন আলী, সুমন আলী, বজলুর রহমানের ছেলে কালিম উদ্দিন, দুবাই গ্রামের বাদল তরফদারের ছেলে সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের তমিজ উদ্দিন সরদারের ছেলে আবদুল জলিল সরদার।
জানাজায় নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব আলমসহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তারা মরদেহ নিয়ে নিজ নিজ গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন।
নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল ইসলাম বলেন,‘‘নিহতদের পরিবার প্রবাসী কল্যাণ বোর্ড থেকে সহায়তা পেয়েছে। সরকার নিহতদের পরিবারকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে। বাকি মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াও চলছে।’’